০৯ নভেম্বর, ২০২৫
ইসরায়েলের দীর্ঘ আগ্রাসনে বিধ্বস্ত গাজার মসজিদগুলো ধীরে ধীরে জীবন্ত হয়ে উঠছে মুসল্লিদের দোয়া ও তাকবিরে। যুদ্ধবিরতির পর চতুর্থ জুমায় গাজাবাসী অংশ নেন নামাজ ও মোনাজাতে।
৯ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এটি ছিল চতুর্থ জুমা। মধ্য গাজার নুসাইরাত, দেইর আল-বালাহ, উত্তর গাজার নগরাঞ্চল ও দক্ষিণের খান ইউনুসসহ বিভিন্ন স্থানে আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন। আল-জাজিরা মুবাশিরের সম্প্রচারে দেখা গেছে—ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে আবেগভরে দোয়া করছেন মানুষ, চোখের পানি ফেলছেন আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে করতে।
গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৮৩৫টি মসজিদ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। আরও অন্তত ১৮০টির বেশি মসজিদ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলোর কিছু ঐতিহাসিক স্থাপনা চিহ্নহীন হয়ে গেছে। ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ থেকে গাজার কোনো অঞ্চল, এমনকি উপাসনালয়ও রক্ষা পায়নি।
দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা হত্যাযজ্ঞের পরও গাজার মানুষ আশা ছাড়েনি। শুক্রবারের জুমায় সেই ভগ্ন মসজিদেই তাকবির ধ্বনি ও মোনাজাতে তারা নতুন জীবনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
(তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা মুবাশির)