১৮ মে, ২০২৬
আল্লাহর জন্য পশু উৎসর্গ দেওয়াকে কোরবানি বলে। কোরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ ইবাদত। আল্লাহর রাসুল (সা.) কোরবানি করতে উৎসাহ দিয়েছেন। যারা সামর্থ্যবান তাদের জন্য ওয়াজিব। আর যারা করবেনা, তাদের রাসুল (সা.) ভর্ৎসনা করেছেন।
কোরবানির সূচনা হয় আদিপিতা হজরত আদম (আ.)-এর দুই পুত্রের মাধ্যমে। তার ছেলে হাবিল ও কাবিল পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম কোরবানি দিয়েছিল। হাবিলের ইখলাস ও নিষ্ঠা ছিল, তিনি সত্যের ওপর ছিলেন। তাই তার কোরবানি গৃহীত হয়েছিল। কাবিল ছিল অসত্যের ওপর। তাই তার কোরবানি কবুল হয়নি।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তাদের আদমের দুই পুত্রের কাহিনি শুনিয়ে দিন, যখন তারা উভয়ে কোরবানি করল, একজনের কোরবানি কবুল হলো, অপরজনের কোরবানি কবুল হলো না।’ (সুরা আল মায়েদা, আয়াত : ২৭)
কোরবানির পশু জবেহ করার পর তার পেটে জীবিত বাচ্চা পাওয়া গেলে তাকেও জবেহ করে দেবে এবং তার গোশতও খেতে পারবে। সদকাও করতে পারবে।
আর কোরবানির পশু কেনার পর জবাইয়ের আগে তার বাচ্চা হলে সেই বাচ্চাকে জীবিত সদকা করে দেবে। কিন্তু যদি জবাই করে তার গোশত খেয়ে ফেলে তবে বাচ্চাটির মূল্য সদকা করে দিতে হবে।