প্রোটিন পাউডার খাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

২৩ মে, ২০২৬

বর্তমানে শুধু খেলোয়াড় বা বডিবিল্ডার নন, সাধারণ মানুষও ফিটনেস ও স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসেবে প্রোটিন পাউডার গ্রহণ করছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক নিয়ম না মেনে প্রোটিন পাউডার খেলে উপকারের বদলে শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকেই শুরুতেই অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করেন। দৈনন্দিন খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকার পরও অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের ফলে শরীরে ক্যালোরি বেড়ে ওজন বৃদ্ধি, পেটফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অনেকে আবার খাবারের বিকল্প হিসেবে শুধুমাত্র প্রোটিন শেকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এতে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হলেও ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর চর্বির ঘাটতি তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, ‘যত বেশি, তত ভালো’- ধারণা ভুল। শরীর সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে। অতিরিক্ত অংশ শক্তি বা চর্বিতে রূপান্তরিত হয়, যা ওজন বাড়াতে পারে।

প্রোটিন পাউডার কেনার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। অনেক পণ্যে কৃত্রিম মিষ্টি, অতিরিক্ত চিনি ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা হজমের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নতুনভাবে প্রোটিন পাউডার শুরু করলে অল্প পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি পণ্যের লেবেলে প্রোটিনের উৎস, প্রতি স্কুপে প্রোটিনের পরিমাণ এবং কৃত্রিম উপাদান আছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি।