০২ মার্চ, ২০২২
যুদ্ধরত ইউক্রেনে প্রাণ গেল দ্বিতীয় ভারতীয় শিক্ষার্থীর। তার নাম চন্দন জিন্দাল (২২)। তিনি পাঞ্জাবের বারনালার বাসিন্দা। তিনি ইউক্রেনের ভিন্নিতসিয়ার ভিন্নিতসিয়া ন্যাশনাল পাইরোগভ মেমোরিয়াল মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলেন।
জানা গেছে, চন্দন ভিন্নিতসিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার (২ মার্চ) সকালে মারা যান। চন্দনের বাবা ইতোমধ্যেই ভারত সরকারের কাছে তার লাশ দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনে রুশ হামলার মুখে পড়ে মঙ্গলবার নিহত হন প্রথম ভারতীয় শিক্ষার্থী। খারকিভে বোমা বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন। ওই শিক্ষার্থী উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা। মৃত ছাত্রের নাম নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধর। নবীন মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
নিহত ভারতীয় শিক্ষার্থীর এক বন্ধু জানান, খাবার আনতে বেরিয়েছিলেন তার বন্ধু। বাকিরা হস্টেলে থাকলেও নবীন ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। আর ওই ফ্ল্যাটটি ঠিক গভর্নর হাউসের পিছনে। সেখানেই হামলা চালিয়েছিল রুশ সেনাবাহিনী।
নবীনের মৃত্যুর পরই কূটনৈতিক সক্রিয়তা শুরু করে নরেন্দ্র মোদি সরকার। মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লির রুশ এবং ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে বলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের খবর।
তবে কিয়েভে আর কোনো ভারতীয় আটকে নেই। মঙ্গলবার এমনটাই দাবি করেছে ভারত সরকার। এই প্রসঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্র সচিব জানান, কিয়েভে ভারতীয় দূতাবাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রুশ সামরিক অভিযানের কারণে দূতাবাসের কর্মীদেরও অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে আগামী তিন দিনে ইউক্রেনের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর বিভিন্ন বিমানবন্দরে মোট ২৬টি ফ্লাইট যাবে বলেও কেন্দ্র জানিয়েছে।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা