জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ট্রাইব্যুনালের বিচারে অংশ নিতে পারবে
ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনী এনে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রেও বার কাউন্সিলের অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে রোববার রাতে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংশোধনীতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিতে পারবে ট্রাইব্যুনাল।
আজ দুপুরে চিফ প্রসিকিউটর অফিস থেকে সংশোধিত আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩ নিয়ে একটি অফিসিয়াল প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।
সংশোধিত আইন অনুযায়ী, কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে তা ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। এ বিষয়ে আপিল বিভাগকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, নতুন সংশোধনীতে গুমের অপরাধকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা দেশের বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের করেন এবং অভিযোগ ট্রাইব্যুনালেও দাখিল করেন। বর্তমানে সেই অভিযোগগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত ও কার্যক্রম চলছে।
এই সংশোধনীকে আন্তর্জাতিক বিচার প্রক্রিয়ার উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।