জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভা

সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে তরুণ আলেম প্রজন্মের উদ্যোগে ‘সংবিধান সংস্কার: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

তরুণ আলেম প্রজন্মের পরিষদ সদস্য এহসানুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি,  খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, নির্বাহী কমিটির সদস্য মেহরাব হোসেন সিফাত, শেখ সাব্বির এবং সংগঠনটির নির্বাহী পরিষদ সদস্য, মাবরুরুল হক, রফিকুল ইসলাম আইনী ও সানাউল্লাহ খান প্রমুখ। 

সংগঠনের পরিষদ সদস্য হুজাইফা ওমরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিষদ সদস্য বিলাল আহমেদ চৌধুরী। সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লেখক ও গবেষক, কবি মাওলানা মুসা আল হাফিজ। এরপর অন্যান্য বক্তাগণ সংবিধান সংস্কার নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা তুলে ধরেন। 

জমিয়ত মহাসচিব বলেন, একটি চিহ্নিত মহল আমাদের সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়। তারা ইতিহাস মুছে দিতে চায়, তারা সংবিধানকে দলীয় গণ্ডিতে আবদ্ধ করে ফেলতে চায়। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। 

খেলাফতের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সংবিধান তার ন্যায্যতার পক্ষে যে যুক্তি হাজির করে তা হলো, ‘জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন।’ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে একটি গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ খেদিয়ে নিজেদের অভিপ্রায় ঘোষণা করেছে।

আরিফ সোহেল বলেন, রাষ্ট্রের সংবিধানে যদি রাষ্ট্রের সকল জনগোষ্ঠীর আকাঙ্খার প্রতিফলন না ঘটে তবে সেটি সংবিধান হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়না। এখন সময় এসেছে সকল নিগৃহীত জনগোষ্ঠীর প্রতি দায় শোধ করার। ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ।

নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাবরুরুল হক বলেন, ১৯৪৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান মুসলিম জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে স্বাধীনতা লাভ করেছে, পূর্ব পাকিস্তান ১৯৭১ সালে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু ৭২ এর সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের নামে মুসলিম জাতীয়তাবাদকে মুছে ফেলা হয়েছে, আমাদের সংবিধান প্রত্যাশা হলো ৭২ সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন।