জেনে নিন তিল বীজের উপকারিতা

জেনে নিন তিল বীজের উপকারিতা

ছবিঃ সংগৃহীত।

তিল বা সিসেম সিড প্রোটিন, কপার ও ম্যাঙ্গানিজের দারুণ উৎস। এছাড়া তিল বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। তিল বীজ লিগন্যানের একটি বড় উৎস, যা হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। ১ আউন্স তিলের বীজে পাওয়া যায় ১৬০ ক্যালোরি, ৩.৩ গ্রাম ফাইবার, ৫ গ্রাম প্রোটিন, ৫.৩ গ্রাম মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ৬ গ্রাম ওমেগা -৬ ফ্যাট। জেনে নিন নিয়মিত তিল খেলে কোন কোন উপকার পাবেন।

তিল বীজে থাকা ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাঙ্গানিজ আমাদের হাড় শক্তিশালী রাখে। অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে ছোট্ট এই বীজ। 

লিগন্যানের একটি বড় উৎস তিল বীজ, যা হরমোন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।   

সেসামিন ও সেসামলের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে তিলে, যা রক্তচাপ ও প্রদাহ কমায়।

তিল বীজে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রক্তে থাকা খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে বাড়ায় ও হজমে সাহায্য করে তিল বীজ।

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে তিল বীজে। এগুলো আমাদের ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত তিল খেলে সহজে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না। 

আয়রন, জিংক এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ তিল বীজ আমাদের চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখে। গোড়া মজবুত করে চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি চুলের অকালে পেকে যাওয়ার ঝুঁকিও কমায় এই বীজ।

প্রচুর পরিমাণে ফাইবার মেলে তিল বীজে। ফলে নিয়মিত উপকারী এই বীজ খেলে হজমে সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

জিংক, সেলেনিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তিল বীজ আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।