শহিদ জিয়া ও তারেক রহমানকে অবমাননার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
ছবি: প্রতিনিধি
সম্প্রতি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবির উপর পদাঘাতের একটি ভিডিও এবং তারেক রহমানকে অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ করে প্রকাশ্যে মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় একটি মহল। এ ঘটনার প্রতিবাদে র্যালি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিএনপি-পন্থী শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব ও শাখা ছাত্রদল।
সোমবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টায় অনুষদ ভবনের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। পরে র্যালি নিয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো পদক্ষিন করে প্রশাসন ভবনের সামনের সমাবেশে মিলিত হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদদের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, সংগঠনটির ইবি শাখা সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, ইউট্যাব ইবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানসহ প্রায় অর্ধশতাধিক বিএনপিপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শাখা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
র্যালিতে তারা 'এক জিয়া লোকান্তরে লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে', 'পিন্ডি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা', 'দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার', 'আমাদের সংগ্রাম চলছেই চলবে, দিয়েছি তো রক্ত আরো দিবো রক্ত', 'জিয়ার সৈনিক এক হও লড়াই করো' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ সমাবেশ জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই সোহাগ হত্যাকান্ডে জড়িত প্রধান আসামি মঈনকে গতকাল গ্রেফতার করা হয়েছে। মঈনের সঙ্গে আমরা এনসিপির দুইজন নেতার ছবি দেখতে পাই। তাহলে আমরা কি মনে করতে পারি না, যে এই হত্যাকান্ড পরিকল্পিতভাবে ঘটনো হয়েছে এবং এর দায় চাপানোর চেষ্টা করেছে বিএনপির উপরে। শহীদ জিয়াউর রহমান যদি বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু না করতেন তাহলে আজকে যারা রাজনীতির নামে এসব করতেছেন তারা কি রাজনীতির সুযোগ পেতেন? তিনিই আপনাদের এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে তাকেই আপনারা অপমান করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
তিনি আরো বলেন, আপনারা খুলনার মাহবুব হত্যা নিয়ে কোনো কথা বললেন না, তার হত্যা নিশ্চিত করতে রক কাটা হয়েছে। আমরা জানি কারা এই রক কাটার সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী। আপনাদের উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল করে নির্বাচন বিলম্বিত করা। আমরা ধৈর্য ধরে আছি কিন্তু মাঠে নামলে আপনাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনাদের অপকালচার বন্ধ করেন। রাজনৈতিক মোকাবেলা করতে চাইলে স্বনামে আসেন সাধারণ ছাত্রের নামে কেন আসছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানকে নিয়ে যে কুরুচিপূর্ণ কথা ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ তা সহ্য করবে না। এর পরেও যদি আপনার এসব কুরুচিপূর্ণ কথা ও অবমাননা চালিয়ে যান আমরা এর দাঁত ভাঙা জবাব দিবো।