নুরের ওপর হামলা: সিএমপির ফটকে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কার্যালয়ের ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। দ্বিতীয় দিনের মতো করেছে সড়ক অবরোধও।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বেলা ১২টা থেকে নগরীর ষোলশহর দুই নম্বর গেট মোড়ে শতাধিক নেতাকর্মী অবস্থান নেন। এ সময় তারা সড়কে টায়ার জ্বালান এবং ট্রাফিক পুলিশের ভ্রাম্যমাণ ডিভাইডারগুলো সরিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
অবরোধ চলাকালে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের জাতীয় পার্টি, জিএম কাদের ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শোনা যায়। অন্যদিকে সিএমপির ফটকে বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন জানান, জিএম কাদেরকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত সড়ক ছাড়বেন না তারা।
বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য জসীম উদ্দিন। সরেজমিনে দেখা যায়, শতাধিক নেতা-কর্মী লাঠিসোঁটা হাতে অবস্থান নেন এবং আশপাশের ৪-৫টি স্থানে আগুন ধরিয়ে দেন। আন্দোলনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনির কোনো সদস্য উপস্থিত ছিলেন না।
এর আগে শুক্রবার রাতে ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হামলায় গুরুতর আহত হন নুরুল হক নুরসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনার প্রতিবাদে সেদিন রাতেই নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে গণঅধিকার পরিষদ।
রাতের কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় শনিবার দুপুরেও তারা একই স্থানে ফের অবস্থান নেন। এতে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলও সংহতি জানিয়েছে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতারা অভিযোগ করেন, ১৭ বছর ধরে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগ সরকারকে সহযোগিতা করেছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হলেও জাপা বহাল তবিয়তে আছে।
জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে মামলা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তাদের মতে, ইউনুস সরকার স্বৈরাচারকে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. জাহাঙ্গীর বলেন, সড়ক অবরোধের কারণে গাড়ি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। সিএমপি কার্যালয়ের ফটক বন্ধ রাখা হয়েছে। অপ্রীতিকর কোন ঘটনা এখনও ঘটেনি। ঘটনাস্থলে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।