সাত বছর পর চীনের মাটিতে পা রাখলেন মোদি
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক নিয়ে টানাপেড়নের মধ্যেই দীর্ঘ সাত বছর পর চীন সফরে গেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শেষবার ২০১৯ সালে চীন সফর করেছিলেন মোদি।
জাপানে দুইদিনের সফর শেষে শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকালে চীনের তিয়ানজিন বিমানবন্দরে পৌঁছালে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয় চীনা কতৃপক্ষ।
মূলত আগামী ৩১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে অংশ নিতে চীনে গেছেন মোদি। সম্মেলনটি চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ২০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা যোগ দেবেন।
এছাড়াও আগামীকাল রোববার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবেন তিনি। সেখানে ভারত-চীন সীমান্ত ইস্যু, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আলোচনায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে এসসিও সম্মেলন শেষে তিয়ানজিনেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে মোদির। পুতিনের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ও মুখপাত্র ইউরি উশাকভ শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে লাদাখে ভারত-চীন সংঘর্ষের পর এটিই মেদির প্রথম চীন সফর। ওই সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। সাম্প্রতিক সময়ে তারা সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা করছে।
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, বিষয়টি যদি শুধু এসসিও সম্মেলনে যোগ দেওয়ার মধ্যে সীমিত থাকত, তা হলে অসুবিধা ছিল না। যেহেতু জিন পিংয়ের সঙ্গে মোদি পার্শ্ববৈঠকও করবেন, তাই বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ। আরও তাৎপর্যপূর্ণ সময়টা। কারণ, এই সময়েই ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশগুলোর মধ্যে চীনও রয়েছে। কূটনীতিকদের একাংশের মত, এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার পাশাপাশি চীনের সঙ্গেও কূটনৈতিক দৌত্য চালিয়ে দিল্লি বহুপাক্ষিক কূটনীতির পথ খোলা রাখতে চাইছে। সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস