কাঁচা ডিম খাওয়া কতটা লাভ, নাকি ক্ষতি?
ছবি: সংগৃহীত
আপনি কীভাবে ডিম খান? সিদ্ধ, পোচ কিং মামলেট করে? অনেকে আবার এসবের ধারেকাছেও যান না, সরাসরি কাঁচা ডিমই খেয়ে ফেলেন। তাদের ধারণা, এতে বেশি পুষ্টি মেলে? এও ধারণা, এভাবে ডিম খেলে নাকি যৌনশক্তি বৃদ্ধি পায়।
আসলেই কি তাই? কাঁচা ডিম খাওয়া কি সত্যি উপকারী, নাকি ক্ষতিকর?
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাঁচা ডিম খেলে শরীরের উপকারের পরিবর্তে অপকারই হবে। এমনকি এই বদভ্যাসের কারণে একাধিক রোগের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়বে!
পিছু নেবে রোগ জীবাণু
কাঁচা ডিম খেলে শরীরে প্রবেশ করতে পারে সালমোনেল্লা বা ওই ধরনের একাধিক জীবাণু। একবার এসব ব্যাকটেরিয়ার ফাঁদে পড়লে সমস্যার শেষ থাকবে না। সেক্ষেত্রে রোগী পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া এবং বমির মতো সমস্যার খপ্পরে পড়তে পারেন।
এমনকি ঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতেও পারে। তখন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করা ছাড়া উপায় থাকবে না। তাই সুস্থ-সবল জীবনযাপন করার ইচ্ছা থাকলে কাঁচা ডিম খাবেন না।
সমস্যা বাঁধাবে অ্যাভিডিন
কাঁচা ডিমে রয়েছে অ্যাভিডিন নামক একটি উপাদান। এই উপাদান কিন্তু অত্যন্ত ক্ষতিকর।
এমনকি এই উপাদানের কারসাজিতে আমাদের শরীর অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বায়োটিন নামক ভিটামিনকে গ্রহণ করতে পারে না। এ কারণেই একাধিক জটিল সমস্যার ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই নীরোগ জীবন কাটানোর ইচ্ছা থাকলে কাঁচা ডিম না খাওয়াই মঙ্গল।
হাফ বয়েলও নৈব নৈব চ
আমাদের মধ্যে অনেকেই আবার হাফ বয়েল প্রেমী। তবে কাঁচা ডিম খাওয়ার মতো হাফ বয়েল ডিম খেলেও ঠিক একই ধরনের সমস্যার খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাই ডিম হাফ বয়েল করে খাওয়ার লোভও সামলান। বরং সুস্থ-থাকার ইচ্ছে থাকলে প্রতিদিন ডিম সিদ্ধ করে খেতে হবে। এতে দেহে পুষ্টির ঘাটতিও দূর হবে। একাধিক রোগের ফাঁদও এড়ানো যাবে।