বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য প্রস্তুত: আনিসুজ্জামান
ছবি: সংগৃহীত
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ও কাঠামোগত রূপান্তরে যুব ও শিক্ষাবিদদের ভূমিকা নিয়ে ‘বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে স্নাতক এবং কাঠামোগত রূপান্তর: অর্থনৈতিক রূপান্তরে যুব ও শিক্ষাবিদদের ভূমিকা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ)।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন হলে আয়োজিত এ সেমিনারের আয়োজন করে ডিআইইউ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) আওতাধীন ‘সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রজেক্ট’ (এসএসজিপি)।
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) প্রাক্তন সভাপতি ড. মো. সবুর খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক এম আর কবির।
সেমিনারের প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান, বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) সিইও ফেরদৌস আরা এবং এসএসজিপি-ইআরডি প্রকল্পের উপদেষ্টা (প্রাক্তন সচিব) আব্দুল বাকি। এছাড়াও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল এবং ইআরডির অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম. জাহাঙ্গীর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। স্থগিত নয়, দেশকে এগিয়ে যেতেই হবে। উন্নত মজুরি, প্রশিক্ষণ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে টেকসই রূপান্তর নিশ্চিত করতে হবে। তিনি জানান, সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি ইতোমধ্যে কৌশলগত রূপরেখা তৈরি করেছে, যাতে উত্তরণের সময় অর্থনৈতিক ক্ষতি ন্যূনতম রাখা যায়।
ড. মো. সবুর খান বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনে শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা শুধু সুবিধাভোগী নয়, বরং পরিবর্তনের চালক—যারা উদ্ভাবন, দক্ষতা ও নীতি প্রণয়নে নেতৃত্ব দিতে পারে।
আয়োজকরা জানান, এ সেমিনার নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইন্টারেক্টিভ সংলাপের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দেশের টেকসই উন্নয়নযাত্রায় অনুপ্রাণিত করবে।