বেরোবিসাসের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বেরোবিসাসের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সংগৃহীত

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রংপুরে সাংবাদিক সমিতির (বেরোবিসাস) ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় সকালে এ অনুষ্ঠান হয়েছে।

বোরবার (২৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার গুরুত্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী। তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞান, যুক্তি ও মুক্ত চিন্তার কেন্দ্র। এখানে সাংবাদিকতার কাজ হবে গঠনমূলক সমালোচনা, তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণ এবং ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকদের উচিত হবে সবসময় সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা। যাতে সমাজে আস্থা ও সচেতনতা গড়ে ওঠে।

তিনি বলেন, উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি বেরোবিসাসের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে তাদের জন্য একটি নিজস্ব অফিস রুম বরাদ্দ দিয়েছি। একটি নিজস্ব কর্মক্ষেত্র তাদের পেশাগত দক্ষতা ও সাংগঠনিক ঐক্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে । তিনি আরো বলেন, এক যুগ ধরে বেরোবিসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য, গবেষণা, সংস্কৃতি ও শিক্ষার্থীদের অর্জন তুলে ধরে আসছে। ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য ।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সাঈদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর রশিদ, প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তাবিউর রহমান প্রধান, ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. নুর আলম সিদ্দিক, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান উমর ফারুকসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এবং রংপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে রোবিসাস-এর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যাফেটেরিয়ার সামনে থেকে একটি আনন্দ র‌্যালি ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়। অনুষ্ঠানে বেরোবিসাসের নতুন সদস্যদের ফুল, ডায়েরি ও কলম দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়া বেরোবিসাসের সদস্যদের মাঝে অনুসন্ধানী রিপোর্ট, বর্ষসেরা ফিচার, বর্ষ সেরা লাইভ ভিডিয়ো এবং বর্ষসেরা ভিডিয়ো জার্নালিস্ট ক্যাটাগরিতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।