মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বিইউপি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বিইউপি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সংগৃহীত ছবি

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর উপাচার্য মো. মাহবুব-উল আলম।

বুধবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে উচ্চশিক্ষা এবং একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ বৈঠকে হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপের শিক্ষার্থী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সন্তানদের জন্য বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এ উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও শিক্ষা বৃত্তি কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে এবং নতুন প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবে।

বৈঠকে বিইউপি ও মালদ্বীপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের সম্ভাবনাও গুরুত্ব পায়। এ ধরনের চুক্তি কার্যকর হলে গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ একাডেমিক প্রকল্প পরিচালনা আরও সহজ হবে বলে উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করেন।

এছাড়া, ফেলোশিপ, স্বল্পমেয়াদি এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম ও পেশাগত প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর সম্ভাবনাও আলোচনা করা হয়। এসব কর্মসূচি মালদ্বীপের শিক্ষক, গবেষক, বিজ্ঞানী, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে বিইউপি’র উপাচার্য হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলামের একাডেমিক অবদান ও জ্ঞানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি কূটনীতি, সংস্কৃতি ও সফট পাওয়ার বিষয়ে হাইকমিশনারের গবেষণাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন।

জবাবে হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্কের একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং ভবিষ্যতে শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৈঠকটি ইতিবাচক পরিবেশে সমাপ্ত হয়। উভয় পক্ষই দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা সহযোগিতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও টেকসই আঞ্চলিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন