ট্রলার দুর্ঘটনায় নিখোঁজের ৭০ ঘণ্টা পর রূপসা নদীতে মিলল মিঠুর লাশ
প্রতিকী ছবি
খুলনার রূপসা নদীতে ট্রলার দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার ৭০ ঘণ্টা পর উদ্ধার হলো সন্ধানী ক্লিনিকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিদুল হক মিঠুর (৪৫) মরদেহ।
বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে খানজাহান আলী (রহ.) সেতুর অদূরে নিমতলা এলাকায় নদীর চর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রূপসা উপজেলার তালিমপুর গ্রামের বাসিন্দা মিঠু ৯ নভেম্বর রাতে পেশাগত কাজ শেষে খুলনা শহর থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। রাত ১১টার দিকে পশ্চিম রূপসা ঘাট থেকে ট্রলারে চড়ে নদী পার হচ্ছিলেন তিনি।
অদক্ষ মাঝি ও ট্রলারে আলো না থাকায় চালক আসাদুল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ট্রলারটি পূর্ব রূপসা ঘাটের পন্টুনে জোরে ধাক্কা লাগে। এতে ট্রলার থেকে দুই যাত্রী নদীতে পড়ে যান। তাদের একজন প্রাণে রক্ষা পেলেও মিঠু নিখোঁজ হন।
দীর্ঘ তিন দিন তল্লাশির পর বুধবার কোস্টগার্ডের টহল দল নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে।
রূপসা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. জেন্নাত আলী বলেন, ‘কোস্টগার্ডের সদস্যরা নদীতে টহলকালে মরদেহটি দেখতে পান। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠাই।’
নিহতের স্বজন জিয়াউর রহমান বলেন, ‘প্রায় তিন দিন পর মিঠুর লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরিবারে এখন শোকের ছায়া।
’
কোস্টগার্ড স্টেশন রূপসার কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. আসাদুজ্জামান জানান, ‘আমাদের নিয়মিত নদীপথ টহলের সময় মরদেহটি দেখতে পেয়ে উদ্ধার করা হয়।’
মৃত্যুকালে শেখ মহিদুল হক মিঠু স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী পুত্র সন্তান পারোসকে রেখে গেছেন।