রয়্যাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

রয়্যাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

সংগ্রহীত ছবি

শীতার্ত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানবিক ভূমিকা আরো জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘তারুণ্যের হাত ধরে সহমর্মিতা’ শীর্ষক সেমিনার ও শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি। 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় আরইউডি এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একটি কম্বল শুধু উষ্ণতা দেয় না, এটি মানবিকতার প্রতীক। তরুণদের এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক শক্তি ছড়িয়ে দেয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাগরিক টিভির প্ল্যানিং এডিটর এরফানুল হক নাহিদ বলেন, ‘মানবিকতা চর্চার মাধ্যমেই একটি জাতির নৈতিক ভিত্তি গড়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা যখন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তখন সমাজ আলোর পথে এগিয়ে যায়।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আরইউডি সামাজিক বিজ্ঞান ও কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. দিপু সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘শিক্ষা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন এর সঙ্গে মানবিক চেতনা যুক্ত হয়।

আজকের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যদি সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগে, তবেই তারা সত্যিকার অর্থে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানার্জনের কেন্দ্র নয়, এটি মানবিক মূল্যবোধের বিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে।’

সেমিনার শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকার শীতার্ত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে পাঁচ শতাধিক কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সনক কুমার দ্রাবিদ এবং যুগ্ম সম্পাদক হাসিব ভূঁইয়া। উপস্থিত ছিলেন হোটেল ট্যুরিজম বিভাগের প্রধান আমিনুল আশরাফ, আইটি বিশেষজ্ঞ মো. শামসুল ইসলাম, সুহৃদ জামান, মোহাম্মদ আশিকুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও সমাজমুখী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।