রাজধানীর শ্যামপুরে শ্রমিক নিহত, কারণ খুঁজছে পুলিশ
প্রতিকী ছবি
রাজধানীর শ্যামপুর থানাধীন জুরাইন বালুর মাঠ এলাকা থেকে মো. ইব্রাহীম (৪০) নামে এক শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি সড়ক দুর্ঘটনা, নাকি হত্যা প্রাথমিকভাবে তা জানা যায়নি। মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
নিহত ইব্রাহীম ভোলা তজিমউদ্দিন থানার দক্ষিণ কাশিরহাট গ্রামের আনিসুল হকের ছেলে। তিনি নবাবপুরে শ্রমিকের কাজ করতেন। বর্তমানে জুরাইন এলাকায় স্ত্রী মিনারা বেগমসহ পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
মিনারা বেগম কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রতিদিন কাজ শেষে তিনি রাত করে বাড়ি ফিরতেন।
সোমবার ফিরতে দেরি হওয়ায় আমি তাকে ফোন দেই। অপর প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি ওই ফোনকলে আমাকে জানান, ইব্রাহীম রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি তার কানের গোড়া ফেঁটে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ৩টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর কারণ জানাতে পারেননি মিনারা বেগম। তার মতে, হয়তো কোনো গাড়ির ধাক্কায় স্বামীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
শ্যামপুর থানার এসআই দেওয়ান মাহমুদুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ভোর ৪টার দিকে হাসপাতাল থেকে মৃত্যুর সংবাদ পাই। তবে এটি সড়ক দুর্ঘটনা নাকি হত্যা তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। মৃত্যুর সঠিক স্থানও পরিবার বলতে পারছে না।
আমরা বিভিন্ন স্থানে কথা বলছি এবং তদন্ত করছি। তবে এখন পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনার কোনো তথ্য পাইনি।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ছাড়া ঘটনাস্থলের আশপাশে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত চলমান।