প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের মাত্র অর্ধেক পাচ্ছে কিয়েভ
ছবিঃ সংগৃহীত।
ক্লিৎসকো বলেন, পূর্ব ইউরোপের বৃহত্তম শহরগুলোর একটি কিয়েভে ৩৬ লাখ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা চালু রাখতে দৈনিক এক হাজার ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দরকার।ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ বর্তমানে প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের মাত্র প্রায় অর্ধেক পাচ্ছে। অবকাঠামোর ওপর ধারাবাহিক রুশ হামলার পর শহরটি যুদ্ধকালীন সবচেয়ে গুরুতর জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো।
ক্লিৎসকো বলেন, পূর্ব ইউরোপের বৃহত্তম শহরগুলোর একটি কিয়েভে ৩৬ লাখ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা চালু রাখতে দৈনিক এক হাজার ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দরকার।
তিনি বলেন, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর প্রায় চার বছরে রাজধানী যে সব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, বর্তমান জ্বালানি সংকট তার মধ্যে সবচেয়ে কঠিন।
কিয়েভের কেন্দ্রস্থলে নিজের দপ্তরে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক বিশ্ব হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ক্লিৎসকো বলেন, ‘আমাদের শহরের ইতিহাসে এই প্রথম এমনটা ঘটল। এত তীব্র শীতের মধ্যে শহরের বড় একটি অংশ তাপহীন হয়ে পড়েছে এবং বিদ্যুতের ভয়াবহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে।’
ক্লিৎসকো জানান, ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক অংশীদাররা অতিরিক্ত জেনারেটর দ্রুত পাঠিয়েছে এবং মেরামতকারী দলগুলো দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে এক রুশ হামলায় ছয় হাজার অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে তাপ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, এখনো প্রায় ১০০টি ভবনে তাপ সরবরাহ চালু করা যায়নি।
রুশ বোমাবর্ষণ, তীব্র শীত এবং দীর্ঘ যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির চাপে বিদ্যুৎ গ্রিড ভেঙে পড়ায় এ সপ্তাহে ইউক্রেন জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।