এআই দিয়ে প্রচারণা ভয়ংকর আকার ধারণ করছে: গণসংহতি

এআই দিয়ে প্রচারণা ভয়ংকর আকার ধারণ করছে: গণসংহতি

ফাইল ছবি

নির্বাচনকে সামনে রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার কার্যক্রম ধীরে ধীরে ভয়ংকর আকার ধারণ করছে। ভোটের আগে জনমত প্রভাবিত করার অপকৌশল হিসেবে বিভিন্ন দল ও গোষ্ঠী এ ধরনের তৎপরতায় যুক্ত বলে অভিযোগ করেছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)।

এআইয়ের অপব্যবহার সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি। অবিলম্বে এ অপব্যবহার ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) গণসংহতি আন্দোলন–জিএসএর কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসান রুবেল এবং সদস্যসচিব দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর, গুজব ও অপতথ্য ছড়াতে এআই ব্যবহার করা হচ্ছে। জেনারেটিভ এআই দিয়ে তৈরি প্রায় বাস্তবসম্মত ভিডিও ও ছবি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট দলের পক্ষে একই ধরনের বক্তব্য ছড়াতে এ কাজে অসংখ্য বট ও ভুয়া আইডি ব্যবহৃত হচ্ছে। সেনা কর্মকর্তা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও বিভিন্ন ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

তারা আরও বলেন, এআইয়ের অপব্যবহার বন্ধে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য আমরা একাধিকবার শুনেছি, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। নির্বাচনের আর অল্প কিছুদিন বাকি। এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এই উদাসীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

জিএসএর নেতৃবৃন্দ বলেন, যেসব দল ও প্রার্থীর পক্ষ থেকে ব্যাপকভাবে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সামাজিক মাধ্যমে এআইয়ের অপব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। সারা দেশ থেকে মানুষ যেন যেকোনো কনটেন্ট নিয়ে অভিযোগ জানাতে পারে এবং সেই অভিযোগ দ্রুততম সময়ে বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া যায়—এজন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানাই।