বরিশালে বিএনপি কর্মী অপহরণ: মামলা গ্রহণের আদেশ আদালতের

বরিশালে বিএনপি কর্মী অপহরণ: মামলা গ্রহণের আদেশ আদালতের

ফাইল ছবি

একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রচারণার সময় বিএনপির প্রার্থীর কর্মীকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার নাম রয়েছে।

রবিবার বরিশালের চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির উদ্দিন এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান।

মামলার বাদী যুবদল নেতা মো. মশিউল আলম খান পলাশ বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সারা দেশে বিএনপির প্রার্থীরা প্রচারণায় যেতে পারেননি। বরিশাল-৫ আসনেও একই অবস্থা ছিল। ঘটনার দিন সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন এলাকায় লিফলেট বিতরণের জন্য তিনি ও প্রার্থী রওনা হন। পথিমধ্যে তিন দিক থেকে স্পিডবোটে তাদের তাড়া করা হয়।

পলাশ আরও জানান, বিশ্বাসের হাট এলাকায় পৌঁছানোর পর নদী থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ তাকে অপহরণ করে। চোখ বেঁধে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যাওয়ার পর নির্মমভাবে নির্যাতন চালানো হয়। পলাশ জানান, ঘটনার একটি ‘ভিডিও ভাইরাল হয়েছে’ উল্লেখ করে তারা তাকে হত্যা করেনি। এরপর তাকে বন্দর থানায় নিয়ে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়।

তিনি আরও জানান, গত ৫ আগস্টের পরে আদালতে মামলা করেছি। আদালত বন্দর থানার ওসিকে মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন- সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের মহাজোট প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঁইয়া, বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদি হাসান মোল্লা, কনস্টেবল ফয়জুল।