বাংলাদেশে আল-কুদস দিবস পালন
সংগৃহীত
বাংলাদেশে পালিত হলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির (রহ.) শাহাদাত ও আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা আয়োজন করে আল-কুদস কমিটি বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) মিলনায়তনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহানাবাদি। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন ঢাকায় ইরান দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেজা মীরমোহাম্মদী, ইস্টার্নপ্লাস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা রুহুল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এবং লেখক (ফিলিস্তিন মুক্তি বিষয়ক গ্রন্থ) ও রাজনীতিবিদ সারওয়ার তুষার।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রাশেদ আলম ভূইয়া।
উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট এ. কে. এম. বদরুদ্দোজা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান ও আল-কুদস কমিটি বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহ কাওসার মোস্তফা আবুলউলায়ী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আজ পবিত্র রমজান মাসের পবিত্র পরিবেশে মুসলিম উম্মাহ গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে স্মরণ করছে হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির (রহ.) শাহাদাতকে এবং একই সঙ্গে পালন করছে আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস। দিনটি মুসলিম বিশ্বের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এটি বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের ঐক্য, ন্যায়বিচার এবং নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থনের প্রতীক। আলী খামেনি ছিলেন ইসলামি মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার এবং নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তার সংগ্রামী জীবন, নেতৃত্ব এবং আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহকে অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে দৃঢভাবে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা জোগায়।
আল কুদস দিবসের কথা স্মরণ করতেন গিয়ে বক্তারা বলেন, আল কুদস দিবস শুধু ফিলিস্তিনের নয়, এটি পুরো মুসলিম উম্মাহর। আমরা মুসলমানরা একে অপরের ভাই ভাই, আমরা মাযহাবগতভাবে বিভক্ত না হয়ে সব মুসলিম এক হয়ে জালিমদের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান নেব- ইনশাআল্লাহ্। একই সঙ্গে সব জুলুমের বিপক্ষে গিয়ে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ সাধন করব।