গ্রেপ্তারের সময় আসামিকে নির্যাতনের অভিযোগ
প্রতিকি ছবি
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় যৌতুক মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশি নির্যাতনে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শনিবার দুপুরে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাঠেরপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ওই আসামি হলেন- রেজাউল হাওলাদার (২২)। সে উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের খাস মহেশপুর গ্রামের মোশারেফ হাওলাদারের ছেলে।
রেজাউলের মা শিল্পী বেগম অভিযোগ করেন, ছেলের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী ঝালকাঠি আদালতে যৌতুকের মামলা করেছে। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। বিষয়টি তারা জানতেন না। দুপুরে রেজাউল কাঠের পুল এলাকার একটি সেলুনে চুল কাটতে যায়।
এ সময় বাকেরগঞ্জ থানার এসআই সবিতার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় রেজাউল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখতে চাইলে পুলিশ সদস্যরা রেজাউলকে মারধর করে টেনে হেচড়ে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে নির্যাতন করায় সে আহত হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. মিরাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, শনিবার বেলা সোয়া ২টার দিকে রেজাউলকে বাকেরগঞ্জ থানার এসআই সবিতা চিকিৎসা করতে নিয়ে এসেছিলেন।
রেজাউলের বুকে ও পায়ে আহতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ তাদের জানায় গ্রেপ্তারের সময় তার বুকে নখের আঁচড় লেগেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার এসআই সবিতা মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রেজাউলকে গ্রেপ্তারের সময় মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে থানায় পুলিশ হেফাজতে যদি অন্য কেউ নির্যাতন করে তার দায়দায়িত্ব তার নয়।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি কেএম সোহেল রানা বলেন, আসামি গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের মারধর বা নির্যাতনের কোনো সুযোগ নেই।
যদি এসআই সবিতা আসামি গ্রেপ্তারকালে কোনো নির্যাতন করে থাকে, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।