ম্যানসিটিকে হটিয়ে ফের শীর্ষে আর্সেনাল

ম্যানসিটিকে হটিয়ে ফের শীর্ষে আর্সেনাল

ছবি: সংগৃহীত

এবেরেচি এজের প্রথমার্ধের দুর্দান্ত এক গোলে আর্সেনাল আবারও প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে ফিরেছে। এমিরেটস স্টেডিয়ামে নিউক্যাসলের বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছে তারা। 

​২০০৪ সালের পর প্রথমবারের মতো লিগ শিরোপা জেতার দৌড়ে থাকা আর্সেনাল গত দুই ম্যাচে বোর্নমাউথ ও ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হেরে চাপে ছিল। তবে ম্যাচের ৯ মিনিটে করা এজের গোলটি মিকেল আর্তেতার দলকে আবারও শীর্ষে ফেরাল, যেখানে গত ৭২ ঘণ্টা ধরে রাজত্ব করছিল সিটি।

আর্সেনাল এখন এক ম্যাচ বেশি খেলে সিটির চেয়ে ৩ পয়েন্টে এগিয়ে। ম্যানসিটি একই দিনে সাউদাম্পটনকে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনালে উঠেছে, তবে লিগে তারা আর্সেনালের পেছনে পড়ে গেল। আগামী সপ্তাহে ফুলহ্যামের বিপক্ষে জিতলে আর্সেনাল ৬ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে। কারণ সিটির পরের ম্যাচ ৪ মে এভারটনের বিপক্ষে।

নিউক্যাসলের জন্য এটি ছিল টানা পঞ্চম হার, যার ফলে এডি হাউয়ের দল এখন টেবিলের ১৪ নম্বরে অবস্থান করছে।

এই ম্যাচে কর্নার থেকে আর্সেনালের গোলটি ছিল মৌসুমে তাদের ১৭তম, যা নতুন প্রিমিয়ার লিগ রেকর্ড। গোলটি ছিল এজের জাদুকরী এক বাঁকানো শটে। ম্যাচের ৯ মিনিটে নোনি মাদুয়েকের পাস থেকে হ্যাভার্জ বল বাড়িয়ে দেন এজের দিকে। বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া প্রথম শটটি গোলরক্ষক নিক পোপকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। গত তিন মৌসুমে ডি বক্সের বাইরে থেকে এজের চেয়ে বেশি গোল (১০টি) আর কেউ করতে পারেনি।

ম্যাচের শেষ দিকে নিউক্যাসল সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল। বদলি খেলোয়াড় ইয়োয়ানে উইসা ১৫ মিনিট বাকি থাকতে একটি সহজ সুযোগ মিস করেন। এদিকে দীর্ঘ ৫ ম্যাচ পর ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে নামেন বুকায়ো সাকা, তাকে দর্শকরা তুমুল করতালির মাধ্যমে স্বাগত জানায়।

অতিরিক্ত ৭ মিনিটের ইনজুরি টাইমে এমিরেটসের গ্যালারিতে টানটান উত্তেজনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধান ধরে রাখতে সক্ষম হয় আর্তেতার শিষ্যরা। হাতে আর মাত্র ৪টি ম্যাচ। এই জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে আবারও নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিল আর্সেনাল।

আর্সেনাল জয় পেলেও বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হ্যাভার্জ ও এজের চোট। আগামী বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে তারা, যে ম্যাচে এই দুজনের খেলা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ভিক্টর গিওকেরেসের বদলে মূল একাদশে জায়গা পেলেও প্রথমার্ধেই খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন হ্যাভার্জ।জয়সূচক গোলদাতা এজে দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ৭ মিনিট পরেই ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।