ডিসি সম্মেলনে উঠছে ৫০০ প্রস্তাব

ডিসি সম্মেলনে উঠছে ৫০০ প্রস্তাব

ফাইল ছবি

গাজীপুর জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল করে শিল্পকারখানাকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে আনতে সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের কাছে এক ডিসি প্রস্তাব দিয়েছেন, দেশের প্রত্যেক উপজেলা হাসপাতালে একটি সচল অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত করার, প্রবীণদের জন্য হাসপাতালে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব দিয়েছেন ডিসিরা। প্রতিদিন নানা গুজব রুখতে জেলা পর্যায়ে ফ্যাক্ট চেকিং সেন্টার স্থাপন করার প্রস্তাবও দিয়েছেন ডিসিরা। সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলে আইসিটি বিভাগ এটি বাস্তবায়ন করবে।

এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) অনলাইনে প্রদান করার প্রস্তাব এসেছে জনপ্রশাসনের কাছে। সৈয়দপুরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করা, কারাগারের নিরাপত্তায় ওয়াচ টাওয়ার স্থাপনের প্রস্তাবও দিয়েছেন ডিসিরা। এরকম প্রায় ৫০০ প্রস্তাব উঠতে যাচ্ছে এবারের ডিসি সম্মেলনে। এ বছর  জেলা, বিভাগ ও মন্ত্রণালয় থেকে ১৭২৯টি প্রস্তাব আসে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করে ৪৯৮ প্রস্তাব উঠবে সম্মেলনে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী ৩ মে থেকে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগে এ সম্মেলনের উদ্বোধনী হতো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। আর কার্য-অধিবেশন হতো ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে। এবারের সম্মেলনে ডিসিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাবেন। তুলে ধরবেন সংশ্লিষ্ট জেলার উন্নয়ন প্রকল্প সম্পর্কিত নানা সমস্যার বিষয়েও। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে অর্জিত অভিজ্ঞতার কথাও সরকারপ্রধানকে জানাবেন তারা। প্রধানমন্ত্রী মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কথা শুনবেন এবং দিকনির্দেশনা দেবেন।

জানা গেছে, এর আগে রাষ্ট্রপতি-স্পিকারের সঙ্গে ডিসিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল না। এবার সেটা থাকছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটি হতে যাচ্ছে প্রথম জেলা প্রশাসক সম্মেলন। প্রতি বছর মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ডিসি ও কমিশনারদের নিয়ে ঢাকায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সম্মেলনের তত্ত্বাবধান করে। গত বছর ৩৫৪টি প্রস্তাব ছিল। সে হিসেবে প্রায় দেড় শতাধিক প্রস্তাব বেড়েছে এবার। সম্মেলন চলাকালে কার্য অধিবেশনগুলোতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবরা উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের মূল্যবান উপদেশ ও দিকনির্দেশনা দেবেন।