প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে হজযাত্রীর মরদেহ পৌঁছে দেওয়া হলো গ্রামের বাড়িতে
সংগৃহীত ছবি
পবিত্র হজ পালনের ইচ্ছা ছিল কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার লুনদিয়া গ্রামের ৬২ বছর বয়সী বাচ্চু মিয়ার। হজ পালনের উদ্দেশ্যে সোমবার দিবাগত রাতে হজ ক্যাম্পেও এসেছিলেন তিনি। কিন্তু তার সেই ইচ্ছা পূরণ হওয়ার আগেই পরপারে চলেন গেলেন বাচ্চু মিয়া।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই হজযাত্রীর মৃত্যুর খবর শুনে মর্মাহত হন এবং তার মরদেহ দ্রুত গ্রামের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার সার্বিক ব্যবস্থা করেন।
ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক লোকমান হোসেন জানান, সস্ত্রীক হজপালনের উদ্দেশ্যে সোমবার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে গাড়িযোগে অন্যান্য যাত্রীদের সাথে হজক্যাম্পে আসেন বাচ্চু মিয়া। গাড়ি থেকে তাকে নামানোর জন্য সাহায্য চাওয়া হলে একটি স্বেচ্ছাসেবক টিম তার সহায়তায় এগিয়ে যান এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে হজ অফিসের মেডিকেল ক্যাম্পে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক মো. ইকবাল অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ খবর পেয়ে হজযাত্রীর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার লুনদিয়া গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী।
হজ অফিস জানিয়েছে, মরহুমের মরদেহ একটি লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িযোগে এবং তাদের মালামাল অন্য আরেকটি গাড়িতে পাঠানো হয়। লাশবাহী গাড়িতে মৃতের স্ত্রী ছাড়াও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা, হজ এজেন্সির প্রতিনিধি ও কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক পাঠানো হয়। মরহুমের লাশ বাড়িতে পৌঁছে দিতে কিছু পথ নৌকাযোগেও যেতে হয়।
মৃত হজযাত্রীর সহযাত্রীদের ভাষ্যমতে, বাচ্চু মিয়া হজক্যাম্পে আসার পথেই অস্বস্তি বোধ করছিলেন।
বাচ্চু মিয়ার মৃত্যুতে গ্রামের মানুষ ও সহগামী হজযাত্রীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। একইসাথে তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন