সিলেটে ঈদের প্রধান জামাত শাহী ঈদগাহে
ফাইল ছবি
পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব এবং আল্লাহর প্রতি পরম আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের প্রতীকী দিন। ঈদের দিন নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পশু কোরবানি করা হবে সামর্থ্যবানদের ঘরে ঘরে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সিলেটে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায়।
ঈদ জামাতের আগে বয়ান করবেন নগরের বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোশতাক আহমদ খান। ইমামতি করবেন ওই মসজিদের ইমাম মাওলানা মুফতি জুনায়েদ আহমদ।
দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদ জামাত হবে দরগাহে শাহজালাল (র.) জামে মসজিদে সকাল ৮টায়। ইমামতি করবেন দরগাহ মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা হুজাইফা হোসাইন চৌধুরী।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হলে দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তখন সকাল ৯টায় ২য় জামাত অনুষ্ঠিত হবে, এতে ইমামতি করবেন ইমাম হাফেজ মাওলানা আমিনুল ইসলাম।
ঐতিহ্যবাহী সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আঞ্জুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। জামাতে ইমামতি করবেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী। জামাতে মহিলা ও শিশুদের জন্য আলাদা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন আঞ্জুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ একরামুল হক ও সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দীন আহমদ।
নগরের কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে ঈদের পৃথক তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়, ইমামতি করবেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ড. মাওলানা এ এইচ এম সোলায়মান। দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল ৮টায়, ইমামতি করবেন কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দীন আহমদ এবং তৃতীয় জামাত ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে, ইমামতি করবেন হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমদ।
নগরের কোর্ট পয়েন্ট সংলগ্ন কালেক্টরেট জামে মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৬টায়। ইমামতি করবেন মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা শাহ আলম। শাহপরান (র.) মাজার মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়।
এছাড়া সিলেট নগরের কালিঘাট হযরত শাহচট রহ. জামে মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত সকাল সাড়ে ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে।