ইউরোপে আরও পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপে আরও পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

সংগৃহীত

ন্যাটোভুক্ত ইউরোপের আরও কিছু দেশে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২ জুন)  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

আলোচনার বিষয়ে অবগত তিনটি সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বর্তমানে যে ছয়টি ইউরোপীয় দেশে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বিমান মোতায়েন রয়েছে, তার বাইরে আরও কিছু দেশে এ ধরনের সক্ষমতা সম্প্রসারণের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। 

এই পরিকল্পনার আওতায় আরও কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘ডুয়াল-ক্যাপেবল এয়ারক্রাফট (ডিসিএ)’ মোতায়েন করা হতে পারে। এসব বিমান প্রয়োজন হলে পারমাণবিক হামলা চালানোর সক্ষমতা রাখে। তবে, এ ধরনের সম্প্রসারণ নিয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পোল্যান্ড এবং কয়েকটি বাল্টিক স্টেটের  ডিসিএ ঘাঁটি স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে। এ বিষয়ে ন্যাটোর বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে এ তথ্য যাচাই করতে পারেনি।  এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কোলবি এর আগে প্রকাশ্যে বলেছেন, ইউরোপীয় মিত্ররা প্রচলিত সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ছাতার ব্যবহার অব্যাহত রাখবে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন যে, ইউরোপের অনেক মিত্র দেশ নিজেদের সামরিক খাতে যথেষ্ট ব্যয় করে না এবং প্রচলিত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে অতিরিক্তভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল।