স্পেনের পর উরুগুয়েকেও রুখে দিল কেপ ভার্দে

স্পেনের পর উরুগুয়েকেও রুখে দিল কেপ ভার্দে

সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপে ‘এইচ’গ্রুপে লাতিন আমেরিকার পরাশক্তি উরুগুয়ে ও আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে ম্যাচ গড়তে যাচ্ছে এক অন্যরকম রেকর্ড। ম্যাচটি মাঠের লড়াইয়ের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দুই দেশের জনসংখ্যার কারণে। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দুটি দেশের মুখোমুখি হওয়ার রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে ম্যাচটি। 

 

দুই দেশের মোট জনসংখ্যা মেলালে ৩৯ থেকে ৪০ লাখের কাছাকাছি। বিশ্বকাপের দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের মোট জনসংখ্যা ৩৫ লাখের কিছু কম। ১৯৩০ এবং ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই দেশের ফুটবল ঐতিহ্য অবশ্য জনসংখ্যার চেয়ে বহুগুণ বড়। আফ্রিকান মহাদেশের দল কেপ ভার্দে এবারই প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। দেশটির মোট জনসংখ্যা মাত্র ৫ লাখ ৩০ হাজারের মতো, যার মধ্যে রাজধানী প্রাইয়াতেই বাস করেন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ। একটি বড় মহানগরের জনসংখ্যার সমান মানুষ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে লড়ছে দেশটি।

স্পেনের পর উরুগুয়েকে রুখে দিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের আশা বাঁচিয়ে রাখলো প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা কেপ ভার্দে। 

 উরুগুয়ের খেলোয়াড়ের ভুলে বল পেয়ে ম্যাচের ৬১ মিনিটে দারুণ এক গোলে সমতা ফিরিয়েছেন হেলো ভারেলা। বিশ্বকাপের নবাগত এ দল নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে এসে দ্বিতীয় ম্যাচেই ২ গোলের দেখা পেল। 

মাঠে নামার কিছুক্ষণ পরই গোল করেছেন হেলিও ভারেলা। জাতীয় দলের হয়ে এটিই তাঁর প্রথম গোল।

গোলটি হয়েছে উরুগুয়ের ডিফেন্ডার মাতিয়াস অলিভেরা ও গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার ভয়াবহ ভুল বোঝাবুঝিতে। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে অলিভেরা বলটিতে ঠিকমতো পা লাগাতে পারেননি। এদিকে মুসলেরা ছিলেন নিজের জায়গা থেকে অনেকটা এগিয়ে। সেই সুযোগে ভারেলা বলের কাছে পৌঁছে ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে নেন এবং দূরপাল্লার শটে বল জালে পাঠিয়ে দেন।

 

 প্রথমার্ধ শেষে ২-১ গোলে এগিয়ে আছে উরুগুয়ে। ম্যাচের ২১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে কেভিন পিনার বুলেট গতির ফ্রি কিকে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় নবাগত কেপ ভার্দে। 

 

৪৪ উরুগুয়ে মিডফিল্ডার মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোর গোলে সমতায় ফেরে উরুগুয়ে। প্রথমার্ধ শেষ হবার আগে যোগ করা সময়ের ৬ মিনিটে সতীর্থের হেড থেকে পায়ের টোকায় গোল করেন উরুগুয়ে মিডফিল্ডার আগুস্তিন কানোবিও। যার ফলে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে উরুগুয়ে। 

 

 

প্রথমার্ধ শেষ হবার একটু আগেই পিছিয়ে থাকা উরুগুয়ে দ্বিতীয় গোল করে ২-১ গোলে এগিয়ে কেপ ভার্দের বিপক্ষে। 

যোগ করা সময়ের ৬ মিনিটে সতীর্থের হেড থেকে পায়ের টোকায় গোল করেন উরুগুয়ে মিডফিল্ডার আগুস্তিন কানোবিও।

 

কেপ ভার্দের বিপক্ষে সমতায় ফিরল উরুগুয়ে।

৪৪ মিনিটে বক্সে উড়ে আসা বলে হেড করার চেষ্টা করেন দুই দলের দুই খেলোয়াড়। কেউই বলে ঠিকমতো মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। বলটি কেপ ভার্দের পোস্টে লেগে ফিরলেও ফিরতি বলকে জালে পাঠান উরুগুয়ে মিডফিল্ডার মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো।

 

বিশ্বকাপে এই প্রথম সরাসরি ফ্রি কিক থেকে গোল হজম করল উরুগুয়ে।

সেই গোলটি যিনি করলেন কেপ ভার্দের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার কেভিন পিনা—আফ্রিকার তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে সরাসরি ফ্রি কিক থেকে গোল করলেন।

এর আগে বড় টুর্নামেন্টে উরুগুয়ে সর্বশেষ সরাসরি ফ্রি কিক থেকে গোল হজম করেছিল ২০০৭ কোপা আমেরিকায় ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে।

১৯ বছর পর আবারও সরাসরি ফ্রি কিক থেকে গোল হজম করল দলটি।

 

ম্যাচের ২১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে কেভিন পিনার বুলেট গতির ফ্রি কিকে ১-০ গোলে এগিয়ে নবাগত কেপ ভার্দে। 

কেপ ভার্দের এটাই প্রথম বিশ্বকাপ। জনসংখ্যার হিসাবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ তারা। বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে এসে দ্বিতীয় ম্যাচেই প্রথম গোলের দেখা পেল কেপ ভার্দে এবং সেই গোলে ম্যাচে এগিয়েও গেল উরুগুয়ের বিপক্ষে। 

 

হার্ড রক স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে উরুগুয়ে–কেপ ভার্দে ম্যাচ। ‘এইচ’ গ্রুপে দুই দলই আগে একটি করে ম্যাচ খেলে ১ পয়েন্ট করে পেয়েছে। সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এ গ্রুপের শীর্ষে আছে স্পেন।