গোলের দেখা নেই, বিরতিতে সমতায় পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া

গোলের দেখা নেই, বিরতিতে সমতায় পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া

সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য সমতায় রয়েছে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়া। টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা পায়নি পর্তুগাল, অন্যদিকে রক্ষণে শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলেই বিরতিতে সমতা ধরে রেখেছে ক্রোয়েশিয়া।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পর্তুগাল। ব্রুনো ফার্নান্দেজ, রাফায়েল লেয়াও ও পেদ্রো নেতোর গতিময় আক্রমণে বারবার চাপে পড়ে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগ। তবে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ এবং ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় প্রতিটি আক্রমণ প্রতিহত হয়। প্রথমার্ধে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও কয়েকটি ভালো সুযোগ পেলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি।

মাঝমাঠে ভিটিনিয়া, ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও জোয়াও নেভেসের দারুণ সমন্বয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে পর্তুগাল। প্রথম ৪৫ মিনিটে তাদের পাসের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫০, যেখানে ক্রোয়েশিয়া সম্পন্ন করেছে মাত্র ৮৯টি পাস। তবু শেষ তৃতীয়াংশে কার্যকর ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলশূন্যই থাকতে হয়েছে রবার্তো মার্তিনেজের দলকে।

অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়া পুরো প্রথমার্ধে রক্ষণ সামলাতেই বেশি মনোযোগ দেয়। অধিনায়ক লুকা মদরিচ মাঝমাঠে অভিজ্ঞতার ছাপ রাখলেও আক্রমণে পর্যাপ্ত সমর্থন পাননি। আন্তে বুদিমির ও ইভান পেরিশিচকে ঘিরে কয়েকটি পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা হলেও সেগুলো খুব একটা বিপজ্জনক হয়ে ওঠেনি।

প্রথমার্ধে ম্যাচটি ছিল শারীরিক লড়াইয়েও উত্তপ্ত। পর্তুগালের রুবেন দিয়াস একটি হলুদ কার্ড দেখেন। রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেলেও বড় কোনো বিতর্ক তৈরি হয়নি।

নকআউট পর্বের এই ম্যাচে জয়ী দল শেষ ষোলোতে স্পেনের মুখোমুখি হবে। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লুকা মদরিচের মতো দুই কিংবদন্তির নেতৃত্বে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।