গর্ডনের গোলে সেমিফাইনালে পিছিয়ে আর্জেন্টিনা
সংগৃহীত
প্রথমার্ধে বিশ্বকাপ ইতিহাসের বিরল এক রেকর্ড গড়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ৪৫ মিনিটে কোনো দলই গোলমুখে একটি শটও রাখতে পারেনি। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালের প্রথমার্ধে এমন দৃশ্য দেখা গেল।
তবে বিরতি থেকে ফিরেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় আর্জেন্টিনা। ৪৭ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্তভাবে বক্সে ঢুকে পড়েন হুলিয়ান আলভারেজ। জেড স্পেনসকে কাটিয়ে কাছের পোস্ট লক্ষ্য করে শট নিলেও দারুণ সেভে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেন জর্ডান পিকফোর্ড। কিছুক্ষণ পর আবারও সুযোগ পান আলভারেজ, কিন্তু এবার তাঁর শট জালের বাইরে সাইড নেটে গিয়ে লাগে।
আর্জেন্টিনার সেই চাপ সামলে ম্যাচে প্রথম কার্যকর আঘাত হানে ইংল্যান্ড। ৫৫ মিনিটে মরগান রজার্সের নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ ফিনিশে ইংল্যান্ডকে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন। দীর্ঘ সময় রক্ষণভাগে আটকে থাকা ম্যাচে এটিই প্রথম বড় সুযোগ, আর সেটাকেই গোলে পরিণত করে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্সরা।
প্রথমার্ধে যেখানে আক্রমণের চেয়ে লড়াই আর সতর্কতাই বেশি ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে তার সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। এখন ম্যাচে ফিরতে হলে আর্জেন্টিনাকে আরও বেশি ঝুঁকি নিয়েই খেলতে হবে, আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়ানোর অপেক্ষায় থাকবে ইংল্যান্ড।