গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাদের মারধর করার মামলায় গেপ্তার ১৮

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাদের মারধর করার মামলায় গেপ্তার ১৮

প্রতিকী ছবি

গোপালগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিল করার সময় বিএনপির দুই নেতাকে মারধর এবং তাদের মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, একইদিন বিকেলে ১০৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বাদী। গ্রেপ্তারকৃতরা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। 

এদিকে, প্রিজন ভ্যানে আদালতে হাজির করার সময় গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় সাংবাদিক বাদল সাহা ছবি ও ভিডিও করতে গেলে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের কোর্ট ইন্সেপেক্টর বিধান কুমার চন্দ্র বাঁধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে  মঙ্গলবার কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল এলাকার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় সড়কের তিলছড়া এলাকায় অবস্থানরত রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির দুই নেতাকে তারা মারধর করেন এবং তাদের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মিছিলকারীরা সেখান থেকে পালিয়ে যান। 

এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে কাশয়ানী থানায় ১০৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান বলেন, “বিএনপির দুই নেতাকে মারধর, তাদের মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের নামে সড়কে বিক্ষোভ করার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি দোষীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”