চট্টগ্রামে বনকর্মীদের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষায় স্মারকলিপি

চট্টগ্রামে বনকর্মীদের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষায় স্মারকলিপি

সংগৃহীত ছবি

 

মাঠপর্যায়ে বনভূমি জবরদখল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনায় বিদ্যমান জীবনঝুঁকি নিরসন, আইনি অস্পষ্টতা দূর করা, প্রশাসনিক সুরক্ষা নিশ্চিতসহ আট দফা দাবিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বাংলাদেশ ফরেস্ট রেঞ্জার’স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন।

রবিবার(২ আগস্ট) অ্যাসোসিয়েশননের চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিটির পক্ষ থেকে নগরীরর নন্দনকানন কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহরাজ উদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক সিফাত আল  রাব্বানী স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়, সম্প্রীতি সুন্দরবনে ফরেস্ট অফিসে হামলা, মৌলভীবাজারে জবরদখল উচ্ছেদ অভিযান এবং কক্সবাজারের রামুতে বনকর্মীদের ওপর নৃশংস ও বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় মাঠপর্যায়ের বনকর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এতে আরও বলা হয়, কমলা বাগান উচ্ছেদ অভিযানে বন কর্মীদের আইনি এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন উঠায় প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বন ও বনজ সম্পদ রক্ষায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সুরক্ষিত রাখতে সংগঠনের পক্ষ থেকে ৮ দফা দাবি ও সুপারিশমালা পেশ করা হয়।

দাবিগুলো হলো, সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর প্রণয়ন, শহীদ ও আহত বনকর্মীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, শহীদ ইউসুফ(ফরেস্টার), শহীদ সজলসহ(ফরেস্টার) হামলায় হতাহত বনকর্মীদের পরিবারের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়’ এবং ‘বন অধিদপ্তর’ এর সমন্বয়ে একটি স্থায়ী আইনি সহায়তা সেল গঠন করা, নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও কারিগরী সহায়তা প্রদান, অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য বুলেটপ্রুফ ভেস্ট, আধুনিক অস্ত্র, দাঙ্গা প্রতিরোধক হেলমেট, বডি-ওর্ন ক্যামেরা, হেলমেট, প্রতিটি রেঞ্জে ডাবল কেবিন টহল পিকআপ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা, অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্ব থাকা, বিশেষ ঝুঁকি ভাতা চালু, আন্তঃদপ্তর সমন্বয় ও আনুষ্ঠানিক নির্দেশ, জরুরি চিকিৎসা তহবিল ও হাসপাতাল স্থাপন ও বাস্তবভিত্তিক নীতিনির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।