সৌদির স্থল অভিযান নস্যাৎ করার দাবি ইয়েমেনের
সংগৃহীত ছবি
সৌদি সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য বড় ধরনের স্থল অভিযান নস্যাৎ করতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী (ওয়াইএএফ)। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই আকস্মিক হামলায় সৌদি বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি-হতাহতের মুখে পড়েছে। ইয়েমেনি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে আল মায়াদিন জানিয়েছে, সৌদি কর্তৃপক্ষ নিজেদের বাহিনীর ছত্রভঙ্গ অবস্থা লুকাতে এবং সৈন্যদের ভেঙে পড়া মনোবল ধরে রাখতে হতাহতের প্রকৃত তথ্য চেপে যাওয়ার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের মুক্ত অঞ্চলগুলোতে আক্রমণের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েক মাস ধরে সৌদি আরবের সামরিক কর্মকর্তা ও নতুন গঠিত ব্রিগেডগুলোর তৎপর হয়ে উঠেছিল। তবে সেই প্রস্তুতি চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার আগেই ইয়েমেনি বাহিনী আল-রুওয়াইক, আল-আবর ও আল-থানিয়াসহ একাধিক সামরিক ক্যাম্প এবং প্রথম ও তৃতীয় জরুরি ব্রিগেডের প্রধান ঘাঁটিতে একযোগে বড় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করে ইয়েমেন। এই মারাত্মক আঘাত রিয়াদকে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যার ফলে তাদের দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত স্থল অভিযানটি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায়।
ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানান, ইয়েমেনি জনগণের ওপর এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা অন্যায় অবরোধ ও আগ্রাসনের জবাবেই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সানার সুপ্রিম পলিটিক্যাল কাউন্সিল ও ইয়েমেন সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, অবরোধের বিপরীতে অবরোধ এবং হামলার বিপরীতে হামলা; এই নীতি থেকে তারা কোনোভাবেই সরবে না। ইয়েমেনের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক বাহিনী যেকোনো সৌদি পরিকল্পনা ধূলিসাৎ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে সানা থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আল মায়াদিন