৪ উইকেট তুলে নিয়ে লাঞ্চে বাংলাদেশ, চাপে অস্ট্রেলিয়া
সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমে প্রথম সেশনেই দারুণ দাপট দেখাল বাংলাদেশ। মারারা স্টেডিয়ামের সবুজ উইকেট কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের তিন পেসার হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন ও তাসকিন আহমেদ দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। প্রথম সেশন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২২ ওভারে ৭৪ রান, ৪ উইকেট।
শুরুটা করেছিলেন হাসান মাহমুদ। দুই ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ড ও ট্রাভিস হেডকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ওপর চাপ তৈরি করেন তিনি। এরপর লাবুশেনকে ফেরান ইবাদত হোসেন। লাঞ্চের ঠিক আগে ক্যামেরন গ্রিনকে ফিরিয়ে চতুর্থ উইকেটটি এনে দেন তাসকিন আহমেদ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম উইকেট পড়ে ৪৫ রানে। ১২তম ওভারের চতুর্থ বলে অফ স্টাম্পের বাইরে থেকে ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের ক্যাচ হন ২৩ রান করা ওয়েদারাল্ড। এরপর ১৪তম ওভারে রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হন ট্রাভিস হেড। ২২ রান করে ফেরেন তিনি।
এরপর ইবাদতের শিকার হন মারনাস লাবুশেন। ১৯তম ওভারে ইবাদতের বলে অপ্রয়োজনীয় শট খেলতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন লাবুশেন। মাত্র ১ রান করে ফেরেন তিনি।
তৃতীয় উইকেটের পরও অস্ট্রেলিয়ার বিপদ কাটেনি। ২২তম ওভারের শেষ বলে তাসকিন আহমেদের বলে অন সাইডে খেলতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন ক্যামেরন গ্রিন। ১৩ রান করেন তিনি। এটিই ছিল তাসকিনের প্রথম উইকেট।
অবশ্য বাংলাদেশের জন্য একটি আক্ষেপও রয়েছে। ১৭তম ওভারে ইবাদতের বলে তৃতীয় স্লিপে স্টিভেন স্মিথের ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ তামিম। তখন স্মিথের রান ছিল মাত্র ২। সেই জীবন পেয়ে লাঞ্চ পর্যন্ত ৭ রানে অপরাজিত আছেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ব্যাটার।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে এখন পর্যন্ত একমাত্র বড় জুটি ছিল ওপেনিংয়ে—৪৫ রান। এরপর আর কোনো জুটি উল্লেখযোগ্য হয়নি। ১১.৪ ওভার থেকে ২২ ওভারের মধ্যে মাত্র ২৯ রান যোগ করে চার উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা।