ধর্ম অবমাননায় ফাঁসির বিধান চায় ‘তাওহীদের জনতা’

ধর্ম অবমাননায় ফাঁসির বিধান চায় ‘তাওহীদের জনতা’

সংগৃহীত ছবি

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে ‘তাওহীদের জনতা’। একই সঙ্গে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ইফতেখার অনিক ও জুনায়েদসহ অভিযুক্তদের যথাযথ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার বিকালে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষে মূল বক্তব্য ও পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন মুফতি আবুল হাসানাত ফরিদী।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহ ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শানে কটূক্তি, অবমাননা এবং ইসলামকে হেয়প্রতিপন্ন করার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের ঘটনায় ধর্মীয় অনভূতিতে আঘাতের পাশাপাশি সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২৬ আগস্ট ইকুরিয়া সরদারপাড়ার আলমের ছেলে ইফতেখার অনিকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে ২৮ আগস্ট জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। পরে ওই রাতেই জুনায়েদ নামে আরও একজনের বিরুদ্ধে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ ওঠে। 

সংগঠনটির নেতারা জানান, এসব অভিযোগের পর পুলিশ ইফতেখার অনিক ও জুনায়েদকে গ্রেফতার করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, আল্লাহ ও রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ইসলাম অবমাননার অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়ন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, অপরাধ আদালতে প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, এ ধরনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে উপযুক্ত বিশেষ বিচারব্যবস্থা গ্রহণ এবং কার্যকর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।