নাজিরগঞ্জ-ধাওয়াপাড়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণায় ভোগান্তি

নাজিরগঞ্জ-ধাওয়াপাড়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণায় ভোগান্তি

নাজিরগঞ্জ-ধাওয়াপাড়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণায় ভোগান্তি

পাবনা প্রতিনিধি:নাজিরগঞ্জ-ধাওয়াপাড়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাতায়াতকারীরা।

পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ও রাজবাড়ী  জেলার ধাওয়াপাড়া (জৌকুড়া) নৌরুটে বন্ধ হয়ে গেছে  ফেরি চলাচল। ঘাট নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ নাব্যতা সংকটের কারণে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে। এতে করে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ফেরিতে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রী,পরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা।

জানাযায়,পাবনা, নাটোর সিরাজগঞ্জ ও বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজবাড়ী, ফরিদপুর, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের  যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম সুজানগরের নাজিরগঞ্জ ও রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া (জৌকুড়া) এ নৌরুট। এ রুট দিয়ে প্রতিদিন পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, বরিশালসহ বেশ কয়েকটি জেলার যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার,পণ্যবাহী যানবাহনসহ শত শত বিভিন্ন ধরণের যানবাহন পারাপার হয়। কিন্তু নাব্যতা সংকটের কারণে সোমবার থেকে এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে নৌকা ও ট্রলারে পদ্মা পার হচ্ছেন। এ সুযোগে ট্রলারে ও নৌকায় যাতায়াতকারী যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা। হারুনুর রশিদ নামে এক ট্রলারের যাত্রী বলেন, প্রতি ট্রলারে ১০-১৫টি মোটরসাইকেল  তোলা হচ্ছে। ফলে যেকোন সময় এই ট্রলারগুলো দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে। সজিব নামে অপর এক যাত্রী বলেন, একটি জরুরী কাজে রাজবাড়ী যেতে হচ্ছে কিন্তু ফেরি চলাচল বন্ধ; তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  মোটরসাইকেল ট্রলারে উঠিয়ে নদী পার হচ্ছি। স্থানীয় বাসিন্দা সাব্বির আহম্মেদ রাজু জানান, এই নৌ পথটি বেশ জনপ্রিয়। অনেকে নদী দেখার জন্যই এই নৌ পথে যাতায়াত করে থাকে। দিনের পর দিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকা ও যাত্রী ভোগান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন জানান তিনি।

সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রওশন আলী বুধবার জানান, ফেরি চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। এ নৌরুটে অতিদ্রুত যাতে ফেরি চলাচল করতে পারে ব্যাপারে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বুধবার সওজ কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।