ডলফিন বাহিনী নামাল রাশিয়া
সংগৃহী
কৃষ্ণ সাগরে অবস্থিত নৌ ঘাঁটি রক্ষার জন্য ডলফিনের একটি বাহিনী মোতায়েন করেছে রাশিয়া । দুটি ভাসমান ডলফিনের বহর কৃষ্ণ সাগরে অবস্থিত রাশিয়ার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নৌবাহিনী সেভাস্টোপল বন্দরের প্রবেশপথে স্থাপন করা হয়েছে বলে ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট (ইউএসএনআই) জানিয়েছে।
স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া রাশিয়ার নৌ ঘাঁটির ছবির ওপর ভিত্তি করে ইউএসএনআই এ তথ্য জানিয়েছে। ইউএসএনআই আরও জানায়, ফেব্রুয়াতিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগেই ডলফিন বাহিনী সেখানে স্থানান্তর করেছে রাশিয়া।
রাশিয়া কেন ডলফিন বাহিনী মোতায়েন করেছে?
নিউজউইকের মতে, ডলফিনদের নৌ ঘাঁটি রক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে কারণ ডলফিনদের প্রকৃতিগতভাবেই পানির নিচে ভালোভাবে দেখতে সাহায্য করার জন্য ইকোলোকেশন ব্যবহার করার ক্ষমতা রয়েছে, যা সোনার নামে পরিচিত। ইকোলোকেশন হলো ডলফিনের প্রাকৃতিক ক্ষমতা। এই ক্ষমতাবলে ডলফিন শুধুমাত্র ঘনত্বের উপর ভিত্তি করে একটি গলফ বল এবং একটি পিং-পং বলের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে।
রাশিয়ান নৌঘাঁটিতে নোঙর করা জাহাজগুলো ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সীমার বাইরে। কিন্তু পানির নিচ থেকেও জাহাজগুলো হামলার শিকার হতে পারে। এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে তাই সেখানে ডলফিন বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে নিউজউইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
শুধু রাশিয়া নয়, ১৯৫৯ সাল থেকে মার্কিন নৌবাহিনীও ডলফিনকে পানির নিচের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য ডলফিন বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে।
সেভাস্তোপল বন্দরের গুরুত্ব
সেভাস্তোপল কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ান নৌবাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌ ঘাঁটি। সোভিয়েত যুগ থেকে অনেক হাই প্রোফাইল জাহাজ সেখানে নোঙ্গর করা হয়েছে। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া অধিগ্রহণের পর থেকে সিরিয়ায় রাশিয়ার অভিযানকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে সেভাস্তোপল গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে।