যশোরে অভিযানে দুই লক্ষাধিক নকল বিড়ি জব্দ
ছবি: প্রতিনিধি
যশোরের নাভারন, শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া বিপুল পরিমান নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত অবৈধ বিড়ি জব্দ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে যশোর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ-২ এ অভিযান পরিচালনা করেন।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সরকারের মোটা অংকের টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে যশোর জেলার বিভিন্ন স্থানে নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত অবৈধ কমদামী বিড়ি উৎপাদন, বিক্রি ও বাজারজাত করে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে যশোর সার্কেল-২ এর কাস্টমস সুপার জনাব আবুল কালাম হাওলাদারের নেতৃত্বে একটি টিম জেলার নাভারণ নতুন বাজার, মোহাম্মদপুর বাজার এবং শার্শা থানা ও ঝিকরগাছা থানার বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন।এসময় নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার (১,৫০,০০০) শলাকা অবৈধ সাকিব বিড়ি,পঁয়ত্রিশ হাজার (৩৫,০০০) শলাকা অবৈধ করিম বিড়ি এবং পঁয়তাল্লিশ হাজার (৪৫,০০০) শলাকা অবৈধ আলম বিড়ি জব্দ করা হয়। নাভারন নতুন বাজার ব্যাবসায়ী আকবরের দোকান, আব্দুর রহিম ও হারুনের দোকান থেকে সাকিব বিড়ি এবং মোহাম্মদপুর বাজার শাহীন ও রাশেদুল এর দোকান হতে করিম ও আলম বিড়ি জব্দ করা হয়। অভিযানে সর্বমোট দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার শলাকা নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত অবৈধ কমদামী বিড়ি জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানকালে বাজারে কোন প্রকার অবৈধ ও সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত বিড়ি যাতে প্রবেশ না করে সেজন্য প্রতিটি বাজার কমিটিকে তদরকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নকল বিড়ি বিক্রি ও বাজারজাত না করা শর্তে ব্যবসায়ীদের থেকে প্রতিশ্রুতি আদায় করা হয়। ভবিষ্যতে কোন ব্যবসায়ী অবৈধ বিড়ি বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে জানানো হয়।
যশোর সার্কেল-২ এর কাস্টমস সুপার জনাব আবুল কালাম হাওলাদার জানান, অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান অবৈধ বিড়ি জব্দ করা হয়েছে। নকলের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত থাকবে। এছাড়া রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কেউ অবৈধভাবে বিড়ি বিক্রি ও বাজারজাত করলে তার বিরুদ্ধে আইননানুক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।