নাইজারে পৃথক দুই হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৫০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত

নাইজারে পৃথক দুই হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৫০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত

সংগৃহীত ছবি

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের পশ্চিমাঞ্চলে পৃথক দুটি হামলায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৫০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছেন। ওই অঞ্চলে সক্রিয় ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর পশ্চিম আফ্রিকান শাখা সাহেল প্রদেশ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এই জোড়া হামলার দায় স্বীকার করেছে।

 

দেশটির নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, প্রথম হামলাটি ঘটে গত সপ্তাহের বুধবারে (২৩ সেপ্টেম্বর) আবালা-ফিলিঙ্গুয়ে শহরের কাছে। সেখানে সামরিক পুলিশদের একটি গাড়িবহরে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিরনি-এন'কনি এলাকায় পৃথক আরেকটি হামলায় অন্তত ৩০ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি সাহেল অঞ্চলে সক্রিয় এই জিহাদি গোষ্ঠীর কাছে বারবার পরাজয়ের ফলে সম্মুখসারির সামরিক ইউনিটগুলোর মধ্যে তীব্র হতাশা বাড়ছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।

 

 

২০২৩ সালে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা সামরিক সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল তারা বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে দমন করবে। কিন্তু গত জানুয়ারি মাসে রাজধানী নিয়ামের বেসামরিক বিমানবন্দর ও সামরিক বিমানঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এমনকি গত মাসেও বিদ্রোহী সৈন্যরা বিমানবন্দর ও রাষ্ট্রপতির বাসভবনে আক্রমণ চালায়।

 

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত আধাসামরিক বাহিনী ‘আফ্রিকা কোর’-এর সহায়তায় সরকার সমর্থিত বাহিনী পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করলেও বিদ্রোহী ও জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর এই ধরনের ধারাবাহিক হামলায় সরকারের সামরিক অগ্রগতির দুর্বলতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে।