ফেনীতে বন্যার্তদের মাঝে চীনা দূতাবাসের রান্না করা খাবার বিতরণ
সংগৃহীত ছবি
ঢাকাস্থ চীনা দূতাতবাসের ডেপুটি মিশন চিফ মি. লিউ ইউইন বলেছেন, ফেনীবাসী তথা বাংলাদেশের মানুষের এই দুর্যোগকালীন সময় বাংলাদেশ সরকারের সকল প্রচেষ্টায় চীনের সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে। চীন বাংলাদেশের বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং এর পক্ষ থেকে এই উপহারটুকু বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু।বন্ধু হিসেবে বন্ধুর পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব।
আজ রবিবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় ফেনী শহরের জিএ একাডেমি প্রাঙ্গণে চায়না দূতাবাসের ডেপুটি মিশন চিফ মি. লিউ ইউইন বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ কালে উপরিল্লিখত কথা বলেন। চীনা দূতাবাস এবং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-চায়না আলুমনাই (অ্যাবকা) এর উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়।
মি. লিউ ইউইন আরো বলেন, চীনের জনগণের পক্ষ থেকে যে উপহার আমরা বাংলাদেশের দুস্থ মানুষকে দিয়েছি, এটি কোনো সাহায্য নয়, এটি হচ্ছে ভালোবাসার নিদর্শন। এটি দুই দেশের মধ্যে আস্থার সম্পর্কের প্রতিফলন।
মি. লিউ ইউইন আরো বলেন, অতীতের যে কোনো সময় থেকে বাংলাদেশ চীনের মধ্যকার সম্পর্ক অনেক উঁচু। শত বছরের এই সম্পর্ককে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই।
চায়না দূতাবাসের উদ্যোগে বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ কালে অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন অ্যাবকার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. সাহাবুল হক, চায়না দূতাবাসের অতিরিক্ত পরিচালক মি. লি জিয়ান, কালচারাল এটাসি সান কাং নিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের পরিচালক ড. ইয়াং হুই প্রমুখ।
উল্লেখ্য চায়না দূতাবাস ফেনী ও কুমিল্লায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজার মানুষের মধ্যে রান্নাকরা খাবার এবং শুকনো খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করেছে। প্রথম দফায় রান্না করা খাবার এবং দ্বিতীয় দফায় শুকনা খাবার বিতরণ করা হবে।