স্বাস্থ্য খাতে এক পয়সার দুর্নীতিও সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, বরাদ্দ করা বাজেটের প্রতিটি পয়সা জনগণের সেবায় স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যয় করা হবে। দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে অপরাধী যত ক্ষমতাধরই হোন না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার বিকেলে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট ও মেডিকেল কলেজের ৩২তম ডিএনএমসি ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
স্বাস্থ্য খাতে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিন্দুমাত্র আলামত পাওয়া গেলে তিনি যত বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তিই হোন না কেন, আমাদের সরকার বা প্রধানমন্ত্রী এক মুহূর্তের জন্যও তাকে প্রশ্রয় দেবেন না। তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিগত সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের স্বাস্থ্য খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এমনকি এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানেও টানা ১২ বছর কোনো আয়কর দেওয়া হয়নি, সেই অর্থও লুটপাট করা হয়েছে। বর্তমান সরকার ও নতুন গভর্নিং বডি এসে এখন সেই পুঞ্জীভূত দায় শোধ করছে।
তিনি বলেন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া কোনো খাতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই সরকার স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠনে কাজ করছে।
জনগণের অর্থের ব্যবহার সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চব্বিশের গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিবর্তনের পথ ধরেই সরকার স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠন করছে। জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে স্বাস্থ্য খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিটি পয়সা নতুন ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ এবং সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কাছে বিনামূল্যে ওষুধ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতেই ব্যয় করা হবে।