ঢাবিতে অধ্যাপক আনোয়ারউল্লাহ স্বর্ণপদক ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা
সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ‘অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী স্বর্ণপদক ট্রাস্ট ফান্ড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরীর উদ্যোগে এই ফান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিসসংলগ্ন সভাকক্ষে ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের লক্ষ্যে চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
এ সময় ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে ১৫ লাখ টাকার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়। অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে চেকটি হস্তান্তর করেন মুহিত আনোয়ার চৌধুরী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
এই ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় প্রতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের বি.এস.এস (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ/নম্বর অর্জনকারী একজন শিক্ষার্থীকে ‘অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী স্বর্ণপদক’ প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে ঢাবি উপাচার্য ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক এবং সাবেক উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয় ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের উন্নয়নে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তার এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে। এ ধরনের ট্রাস্ট ফান্ড মেধাবী শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের আরও ভালো ফল অর্জনে উৎসাহিত করাই এই ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য। নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধ্যয়ন ও গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জনের প্রতিযোগিতা গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, এ বিশ্ববিদ্যালয় আমার অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। শিক্ষক হিসেবে এখনও আমি পাঠদান উপভোগ করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত থাকতে চাই।