মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নাশকতা: গ্রেফতার ২৬ জন কারাগারে

মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নাশকতা: গ্রেফতার ২৬ জন কারাগারে

ফাইল ছবি

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলা, ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারি গাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগে করা পৃথক তিন মামলায় ২৬ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার পল্লবী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় ১৩ জন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় করা পল্লবী থানায় আরেকটি মামলায় ৭ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কালাম উদ্দিন। 

এছাড়া মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম। 

এর আগে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

পৃথক তিন মামলার কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন মো. ওলিউল্লাহ অনিক (২০), মো. কামাল গাজী (৩২), আলিফ হোসেন ইমন (২৬), রমজান সরকার (১৯), মো. মহিম মোল্লা (১৯), জুবায়ের ইসলাম ওরফে জিসান (২২), মো. আরিফ আকন্দ (২৯), মোয়াজ্জেম শাহরিয়ার নিয়াজ (২৬), মো. আরিফ (১৯), মো. নাহিদ হাসান (১৮), মাহবুবুর রহমান জুয়েল (৩৮), শামীম (২৩), মো. সুমন গাজী (২৮), মো. ইউসুফ আলী (২২), রাজীব চন্দ্র দাশ (২৮), মো. জামাল সরকার (৩৩), মো. তারেক হোসেন (২৪), মো. ইমরান হোসেন (৩০), মো. আবুল কাসেম (২২) মো. মহীন উদ্দিন (২৩), কাওসার আহমেদ (২২), মো. রফিক গাজী (২১), মো. ইসমাইল (২০), মো. সাইফুল ইসলাম (২৬), মো. সজীব শেখ (২০) এবং মো. মোর্শেদ আলম (২৫)।

পল্লবী থানার পৃথক দুই মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গতকাল ১ নভেম্বর পল্লবী থানার মিরপুর-১২ এলাকায় শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে একদল লোক পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এসময় মিরপুর-১২ এলাকায় প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তি জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরবর্তীতে তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুলিশের একটি সরকারি পিকআপে আগুন লাগিয়ে দেন। ঘটনাস্থল থেকে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ ও পেট্রলভর্তি দু’টি প্লাস্টিকের বোতল জব্দ করা হয়। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন বলে পুলিশের অভিযোগ।

মিরপুর মডেল থানার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গতকাল ১ নভেম্বর সকাল ৮টার দিকে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে অন্তত চারটি পোশাক কারখানাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার প্রায় তিন থেকে চার হাজার শ্রমিক জড়ো হন। তাদের সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও ছিলেন বলে জানা গেছে।