‘বাংলা চলচ্চিত্রের শেষ মেগাস্টার শুধু তুমি’, মৌসুমীর জন্মদিনে ওমর সানী
ফাইল ছবি
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমীর জন্মদিন আজ। একান্ন বছর পেরিয়ে বায়ান্নতে পা দিয়েছেন তিনি। ১৯৭৩ সালের ৩ নভেম্বর নাজমুজ্জামান মনি এবং শামীমা আখতার জামান দম্পতির ঘরে জন্ম অভিনেত্রীর। পরিবারের বড় মেয়ে তিনি।
প্রতিবছর জন্মদিন ঘিরে নানা প্রস্তুতি দেখা গেলেও এবারের জন্মদিনে তেমন কোনো আয়োজন নেই। কারণ বছর তিনি ধরে আমেরিকাতে অবস্থান করছে মৌসুমী। তবে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি অভিনেত্রীর স্বামী ওমর সানী। বিশেষ এই দিনে স্ত্রীকে ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্ত্রীকে বাংলা চলচ্চিত্রের শেষ মেগাস্টার হিসেবে উল্লেখ করে সানী লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী। বাংলা চলচ্চিত্রের শেষ মেগাস্টার শুধু তুমি...।’
এর আগে সোমবার রাত ১১টার দিকে স্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখানে, ‘আজ ৩ নভেম্বর প্রিয়দর্শিনী মৌসুমীর জন্মদিন আলহামদুলিল্লাহ। আমার দোয়া আল্লাহ তোমাকে সুস্থ এবং ভালো রাখুন। সম্মানের সঙ্গে রাখেন। আমার পরিবারের তাজ হয়ে থাকো। তোমার ফ্যান ক্লাবের আয়োজনে ইনশাআল্লাহ আমি থাকবো। আগামী ৪ নভেম্বর চাপওয়ালা শ্বশুরবাড়ি রেস্টুরেন্টে, হেমায়েতপুর, সাভার ঢাকা। ফাইজা এবং তোমার জন্মদিন উপলক্ষে গরীব দুঃখীদের মাঝে তবারক বিলি করা হবে আমি সেখানে থাকবো। যেটা তোমরা চেয়েছ, আল্লাহ কবুল করুন। শুভ জন্মদিন মৌসুমী।’
১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন মিষ্টি চেহারার নায়িকা মৌসুমী। ওই ছবিতে তার নায়ক ছিলেন প্রয়াত সুপারস্টার সালমান শাহ। ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছিল তাদের দুজনেরই অভিষেক ছবি। প্রথম ছবিতেই পরিচালক-প্রযোজক ও দর্শকের নজর কাড়েন মৌসুমী।
এরপর শুধু ছুটেই চলেছেন। আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তার অভিনীত বেশিরভাগ সিনেমাই পেয়েছে দর্শকপ্রিয়তা। তার সঙ্গে মান্না ও ইলিয়াস কাঞ্চনের জুটি ছিল সুপারহিট। এ ছাড়া ওমর সানীর সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কয়েকটি ব্যবসা সফল ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি।
মৌসুমী তার ক্যারিয়ারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার জিতেছেন তিনবার। এ ছাড়া ছয়বার পেয়েছেন বাচসাস পুরস্কার। অভিনয়ের পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনমত ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউনিসেফের হযে কাজ করেন তিনি।