করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় তিনমাস ধরে থমকে আছে লা লিগা। তবে অসমাপ্ত এই মৌসুম আবার শুরুর দুই সপ্তাহ আগেই পরের মৌসুম অর্থাৎ ২০২০-২০২১ মৌসুম শুরুর পরিকল্পনা হয়ে গেছে।
ফুটবল
আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসির জীবনের ঝুঁকি থাকায় নিজ দেশে আর ফিরবেন না । এমনটাই মনে করেন মেসির চাচাতো ভাই ম্যাক্সি বিয়ানকুচ্চির।
স্পেনে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে এক অভিযানে গ্রেফতার হন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক স্ট্রাইকার এদউইন কঙ্গো। যদিও সেন্ট্রাল নারকোটিকস ব্রিগেডের কাছে বিষয়টি অস্বীকার করেন এ ফুটবলার। পরে একটি স্টেটমেন্ট নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আর্জেন্টিনাতেও করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে। এরই মধ্যে দেশটির তিন শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে চুপচাপ বসে থাকতে পারেননি লিওনেল মেসি।
করোনা কালবেলায় আক্রান্ত ক্রীড়াবিশ্ব। লণ্ডভণ্ড সব ক্রীড়াসূচি। প্রাণঘাতী ভাইরাসের করাল গ্রাসে গেল মার্চ থেকে বন্ধ ফুটবল।
মরণঘাতী করোনাভাইরাসের বিপক্ষে লড়াইয়ে অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এলেন বাংলাদেশের ফুটবলের কিংবদন্তি মোনেম মুন্নার পরিবার।
বার্সেলোনা থেকে ব্রাজিলের তরুণ তারকা নেইমারকে ভাগিয়ে পিএসজি নিয়ে যান কোচ উনাই এমেরি। মেসির ছায়া থেকে বেরিয়ে নেইমারকে বিশ্ব সেরা হওয়া, পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতাসহ ব্যালন ডি'অরের স্বপ্ন দেখান এমেরি।
একাধিকবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর আগেই জানা। কিন্তু এবার বিস্ময়কর এক খবর জানালো স্পেনের টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘এল চিরিঙ্গিতো’।
করোনাভাইরাসের দাপটে যাচ্ছেতাই অবস্থা সারা বিশ্বে। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে হাজারো মানুষ। এমতাবস্থায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন অনেকেই।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন ইংলিশ ক্লাব লিডস ইউনাইটেডের এক সময়ের তারকা ফুটবলার নরম্যান হান্টার।
করোনায় ভাইরাসের থাবায় থমকে গেছে বিশ্বের সব ক্রীড়া আসর। আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া সব ধরনের খেলায় বন্ধ রেখেছে করোনায় আক্রান্ত দেশগুলো।
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন লিভারপুলের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার ক্যানি ডালগ্লিশ।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পেপ গুয়ার্দিওলার মা দোলোর্স সালা কারিও। ৮২ বছর বয়সে বার্সেলোনায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
স্ত্রীসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের দল রেইমসের ৬০ বছর বয়সী চিকিৎসক বার্নার্ড গনজালেজ।
করোনাভাইরাসে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে স্পেন। স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি অপ্রতুল থাকায় পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপি অনেক বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে ফুটবল খেলোয়াড়রা। বিশেষ করে ইউরোপে।