কোভিডের সুরক্ষায় প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠানের টিকা নিলে সেটা এই ভাইরাস থেকে সুরক্ষায় বেশি কাজ করে বলে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে। কম-কোভ ট্রায়াল নামের এই গবেষণায় দেখা হয়েছে যে, ফাইজার বা অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুইটি করে ডোজে কোভিড-১৯ সুরক্ষায় বেশি কাজ করছে নাকি এই দুই টিকার সংমিশ্রণে?
অক্সফোর্ড
সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস টিকার প্রয়োগ বিশ্বের অনেক দেশে স্থগিত হলেও বাংলাদেশের এই টিকার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অব এক্সপার্ট অন ইমিউনাইজেশন (এসএজিই) বৃহস্পতিবার অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ টিকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু অন্তর্বর্তীকালীন সুপারিশ করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) সোমবার জোর দিয়ে বলেছে, বিশ্বে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এখনও মূল হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে অ্যাস্ট্রাজেনকা/অক্সফোর্ডের টিকা।
৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার কার্যকারিতা নিয়ে জার্মানি সন্দেহ প্রকাশ করলেও সব বয়সীর জন্যই এটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)৷
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিয়ে ইউরোপে বিতর্ক। জার্মান মিডিয়ার রিপোর্ট, ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে এই টিকা ৮ শতাংশ কার্যকর।
বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে যেভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ প্রতিরোধের ক্ষমতা বেড়ে যাচ্ছে, তাতে বিজ্ঞানীদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।
অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সর্বোচ্চ ৫ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৪২৫ টাকা) খরচে পাওয়া যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন শিগগিরই অনুমোদন দেবে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস টিকার অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাজ্য।
অক্সফোর্ডের ৩ কোটি করোনা ভ্যাকসিন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে অথবা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশে আসবে। এখন ভ্যাকসিন তৈরি ও অনুমোদনের অপেক্ষা।