নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
অবাধ
খালি পায়ে হাঁটলে যেমন জরিমানা হতে পারে কোনো জায়গায়, আবার স্যান্ডেল পরে গাড়ি চালানোর জন্য অর্থদণ্ড হতে পারে অন্য এলাকায়।
বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায় চীন। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে দেশটির সরকার অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
প্রায় এক যুগ পর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠকে করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, একদিকে পণ্যের মূল্য লাগামীহন, অন্যদিকে কৃষক উৎপাদিত ফসলের দাম পাচ্ছে না।
বাংলাদেশের নাগরিকরা যেন কোনো বাধা বা হুমকি ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন সেই প্রক্রিয়া তৈরি করার ওপর জোর দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম মো. নাসির উদ্দীন বলেছেন, আমাদের নিয়ত সহি, জাতিকে আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা করা দরকার তাই করব। তবে ভোটের দিনক্ষণ এখনই নয়, আগে সংস্কার।
ভারতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন থাকবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।
সাধারণ নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ভোটের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। ভোট পিছিয়ে দিতে দেশটির সিনেট সদস্যরা শুক্রবার এক বিতর্কিত প্রস্তাব পাশ করেছেন।
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। আর এ জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সরকার, বিরোধী দল, নাগরিক সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সবার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলবে। এমন অভিমত প্রকাশ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।