মসজিদে আকসা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থাপনা। যাকে মসজিদুল আকসা, আল-কুদস, আল-আকসা মসজিদ বা বায়তুল মুকাদ্দাস বলা হয়ে থাকে।
আল-আকসা
ইসরায়েলি বাহিনীর কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদে রমজানের ২৬তম রাতে তারাবির নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দখলকৃত জেরুজালেম থেকে পবিত্র আল-আকসা মসজিদে যাওয়ার সময় ৬০ জনকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েল। তারা বাসে করে গতকাল বুধবার (১৯ মার্চ) আল-আকসায় যাচ্ছিলেন।
ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক কড়াকড়ির মধ্যে পবিত্র ঈদুল আজহায় আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ৪০ হাজারের বেশি মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।
গাজার মধ্যাঞ্চলে আল-আকসা হাসপাতালের আশপাশে মিনিটে মিনিটে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। আল-আকসা হাসপাতালের মুখপাত্র খলিল আল-দেগ্রান বলেছেন, হামলায় ৫৫ জন নিহত হয়েছে। শত শত আহত মানুষ হাসপাতালে আসার কথাও জানান তিনি।
ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরে অবস্থিত ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদে তাণ্ডব চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলিরা। মঙ্গলবার (১৪ মে) মসজিদে বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি ঢুকে পড়ে। এ সময় সেখানে এক ব্যক্তি ইসরায়েলি পতাকা প্রদর্শন করেন।
ফজরের নামাজের সময় উত্তেজনা সৃষ্টি ও হামাসপন্থি স্লোগান দেওয়ায় ইসরায়েলি পুুলিশ ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।
দখলদার ইসরায়েলের পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর বিধিনিষেধের পরও আজ রমজানের শেষ শুক্রবারে পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ১ লাখ ২০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন।
আল-আকসায় তারাবিহ পড়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল ফিলিস্তিনবাসীর মনে। কারণ, রমজান মাস শুরু হলেই আল-আকসায় মুসুল্লিদের ওপর ইসরায়েলি নির্যাতন-নীপিড়ন বেড়ে যায়। এবার ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধের কারণে শঙ্কাটা আরও বেশি ছিল। প্রথম তারাবিহতে পরিস্থিতি কী হয়, সেদিকে নজর ছিল সবার।