ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র হামলা ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেইসাথে দক্ষিণ, পূর্ব এবং উত্তরের প্রধান ইউক্রেনীয় শহরগুলির চারপাশে যুদ্ধ চলছে।
ইউক্রেন
ইউক্রেন থেকে পালানোর বিষয়ে মার্কিন অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। মার্কিন গণমাধ্যমগুলো এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে।
ইউক্রেনে মস্কোর আগ্রাসন প্রশ্নে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করেছে রাশিয়া। আর চীন, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ভোটদানে বিরত থেকেছে। নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ১১ সদস্য প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্যের দেশগুলো রাশিয়াকে একঘরে করার জন্য এই প্রস্তাব এনেছিল। প্রস্তাবটি এখন ১৯৩ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে যাবে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে হামলার দ্বিতীয় দিনেই ইঙ্গিত সংঘাত শেষের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দু’পক্ষই আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে বলে বিবিসি ও সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ব্রিটেনের সামরিক বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী জেমস হেপি দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের জনপ্রতিনিধিদের বলেছেন, রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে ৫৭ বেসামরিকসহ ১৯৪ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় রাশিয়ার ৪৫০ সেনা নিহত হয়।
রাশিয়ার হামলা মোকাবেলায় ন্যাটোসহ বিশ্বের ‘ক্ষমতাধর’ দেশগুলোকে পাশে না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
রাশিয়ার সৈন্যরা কিয়েভে ঢুকে পড়েছে বলে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক অ্যান্তন হেরাসচেঙ্কো বলেছেন, উত্তর-পূর্ব এবং উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ট্যাঙ্ক বহর নিয়ে রাজধানী কিয়েভ দখলের জন্য এগিয়ে আসছে রাশিয়া।
যুক্তরাজ্যের রেডিও ফোরকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দারা যাচাই করে জানতে পেরেছেন,''রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ৪৫০ জন সদস্য হারিয়েছে। কিয়েভের উত্তরে বিমানবন্দরের দখল নিতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের এলিট স্পেৎনাজ বাহিনী। ''
ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযান শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই পশ্চিমা দেশগুলোর নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন।