ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার উত্তেজনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুধবার রাশিয়াকে সতর্ক করেছেন।
ইউক্রে
ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে সরগরম বিশ্ব রাজনীতি। চলমান এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতাধর এই দুটি দেশ রবিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আলোচনায় বসেছে।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলানস্কি রোববার টেলিফোনে কথা বলবেন। উভয়পক্ষ একথা নিশ্চিত করেছে।
প্রেসিডেন্ট পুতিন ও প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মঙ্গলবারের ভিডিও কলে কথা বলার পর নতুন কোনো বোঝাপড়া কি আদৌ হয়েছে - নাকি ইউক্রেনে রাশিয়ার সেনা অভিযানের হুমকি দুদিন আগে যেমন ছিল তেমনই রয়ে গেছে?এক কথায় উত্তর - একটি ফোন বা ভিডিও কলে জটিল এই সমস্যার সমাধান হবে না।
ভিডিও লিংকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এক বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইউক্রেনে রুশ অভিযানের আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে ‘কড়া অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ব্যবস্থা’ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।
ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা হবে বলে জানিয়ে দিল অ্যামেরিকা, জার্মানি, ইটালি, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টে মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এক গোয়েন্দা নথির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইউক্রেন আক্রমণে বিপুলসহ প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া।
রাশিয়া আগামী বছর যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব ইউক্রেনে বহুমুখী হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। হামলায় এক লাখ ৭৫ হাজার রুশ সৈন্যের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে শুক্রবার এ কথা বলা হয়।
ইউক্রেন নিয়ে রশিয়া ও অ্যামেরিকার সংঘাত তুঙ্গে। আমেরিকা মনে করছে, রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিংকেন এবং ফরাসী পররাষ্ট্র মন্ত্রী জ্যাঁ ইভস লা দ্রিয়ান ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনীর কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা করেছেন।